মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

দলবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা, চার আসামির স্বীকারোক্তি

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় এক তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে ফুলদী নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, পাওনা টাকা পরিশোধ এড়াতে ও সম্পর্ক আড়াল করতে ওই তরুণীকে তাঁরা হত্যা করেন। গতকাল রোববার মুন্সিগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত শুক্রবার গজারিয়া উপজেলার বড় ভাটেরচর এলাকায় ফুলদী নদী থেকে ওই তরুণীর (১৯) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন রাতে নিহতের বোন বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে ৩০ মে পিবিআই মুন্সিগঞ্জ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চার আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), রাসেল মিয়া (৪৪) ও আলামিন প্রধান (৫০)। তাঁরা উপজেলার বড় ভাটেরচর এলাকার বাসিন্দা।

গত ২৯ মে গজারিয়ার ফুলদী নদী থেকে একটি অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার করে গজারিয়া নৌ পুলিশ। মরদেহে পচন ধরায় প্রথমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে পিবিআই মুন্সিগঞ্জের ক্রাইম সিন টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করে।

পিবিআইয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিহত তরুণী আসামি আবু কালামের কাছে ২৫ হাজার টাকা এবং রাসেল মিয়ার কাছে প্রায় ১০ হাজার টাকা পেতেন। এ ছাড়া জামাল হোসেনের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। এক আত্মীয় তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি দেখে ফেলায় তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। মূলত জামালের সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা এবং পাওনা টাকা পরিশোধ এড়ানোর উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ওই তরুণীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পিবিআইয়ের দাবি, ঘটনার প্রায় ১৫ দিন আগে গজারিয়ার হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এলাকার ভেতরে বসে গ্রেপ্তার চার আসামি হত্যার পরিকল্পনা করেন। ২৬ মে সন্ধ্যার পর কৌশলে তরুণীকে বড় ভাটেরচর এলাকার নদীতীরে ডেকে আনা হয়। পরে একটি নৌকায় করে নদীর ওপারে নির্জন চরের একটি ভুট্টাখেতে নিয়ে গিয়ে তাঁকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এরপর তাঁর সালোয়ার দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে ফুলদী নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

পিবিআই মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে ওই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করা হয়েছে। মামলার তদন্ত এখনো চলমান।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com