মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার সহায়তা চেয়েছে জাতিসংঘ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার ও ভাসানচরে আশ্রিত রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জরুরি মানবিক সহায়তায় এ বছর ৭১ কোটি পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা) সহায়তা চেয়েছে জাতিসংঘ ও এর অংশীদার সংস্থাগুলো। গতকাল ঢাকায় জাতিসংঘ ভবনে এক অনুষ্ঠানে এই যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা (জেআরপি) উপস্থাপন করা হয়।

 

জাতিসংঘ জানায়, বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। মায়ানমারের চলমান সংঘাতের কারণে নতুন করে আরো অনেকে প্রবেশ করছে। ২০২৪ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আরো প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে। এতে কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থীশিবিরগুলোতে চাপ আরো বেড়েছে।

 

জেআরপির আওতায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী মিলিয়ে প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। খাদ্য, আশ্রয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানি ও স্যানিটেশনসহ বিভিন্ন খাতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। এর মধ্যে খাদ্য সহায়তার জন্যই সবচেয়ে বেশি ২৪ কোটি ৭৩ লাখ ডলার বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের ডেপুটি হাইকমিশনার কেলি টি ক্লেমেন্টস বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরণার্থীদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা এখন আরো জরুরি হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা নিরাপদে নিজ দেশে ফিরতে না পারা পর্যন্ত তাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে।’ 

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সহকারী নির্বাহী পরিচালক রানিয়া দাগাশ-কামারা বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে অসাধারণ উদারতার পরিচয় দিয়েছে। তবে তহবিল সংকটের কারণে শরণার্থীদের সহায়তা কার্যক্রম টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।

ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিমাড়ারজাই গুম্বোনজভান্দা বলেন, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা এখনো বড় ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি জেন্ডার-সংবেদনশীল ও দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

জাতিসংঘের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালে শরণার্থীশিবিরের ৩৫ শতাংশ পরিবার পুরোপুরি খাদ্য সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিল। সীমিত আয়ের সুযোগ ও মানবিক সহায়তা কমে যাওয়ায় অনেক পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক দাতা প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ৫২টি বাংলাদেশি সংস্থাসহ মোট ৯৮টি মানবিক অংশীদার এই পরিকল্পনায় সমর্থন দিয়েছে।

জাতিসংঘ আবারও জোর দিয়ে বলেছে, রোহিঙ্গাসংকটের টেকসই সমাধান হলো নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। তবে মায়ানমারের পরিস্থিতি অনুকূলে না আসা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

 

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com