জানা যায়, বাকৃবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সহযোগিতায় এবং বায়োটেডের উদ্যোগে থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বায়োটেডের নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ সওগাতুল ইসলাম এবং বাকৃবি রোভার স্কাউট সম্পাদক ড. মো. জহিরুল আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্যসচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, স্কাউটদের দীক্ষা অনুষ্ঠান তরুণদের ব্যক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজ ও দেশের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখে। আগামী দিনগুলোতে রোভার স্কাউটের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে শিক্ষার্থীরা দেশের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ড. মো. জহিরুল আলম বলেন, সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে থ্যালাসেমিয়া বাহকের সংখ্যা ১১ শতাংশেরও বেশি। প্রতিবছর কত শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্ম নেয় তার সঠিক সংখ্যা অজানা। এর মূল কারণ হিসেবে তিনি রোগটি সম্পর্কে উদাসীনতা ও সচেতনতার অভাবকে দায়ী করেন।
তিনি আরও বলেন, থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বেস কেয়ার ফাউন্ডেশন ইউকের অর্থায়নে এবং জেনেক্স হেলথের প্রযুক্তিগত সহায়তায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা ও বিনামূল্যে স্ক্রিনিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োটেড। গত এক বছরের বেশি সময়ে প্রায় ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে “থ্যালাসেমিয়া অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড স্ক্রিনিং ক্যাম্পেইন” অনুষ্ঠিত হলো।








