বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

কৃষ্ণচূড়ায় আগুনরঙা হাসি

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

কুয়াকাটা মহাসড়ক ধরে এগোলে চোখে পড়ে লাল ফুলের সারি। কলাপাড়া পৌরসভা চত্বর থেকে শুরু করে উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম, সবখানেই এখন কৃষ্ণচূড়ার রঙিন ছোঁয়া। দূর থেকে মনে হয়, বৈশাখের তপ্ত রোদ মাটিতে নেমে এসে ফুল হয়ে ফুটেছে। প্রকৃতির এই অপরূপ সাজ যেন শিল্পীর আঁকা ক্যানভাস।

এই সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন পথচারী থেকে শুরু করে পর্যটকরা। অনেকেই থেমে যাচ্ছেন, ক্যামেরাবন্দি করছেন মুহূর্তগুলো। স্থানীয় তরুণ-তরুণীরা স্মার্টফোনে ধারণ করা সেই দৃশ্য ছড়িয়ে দিচ্ছেন সামাজিক মাধ্যমে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, গরমের এই নীরস সময়ে কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিকে দিয়েছে নতুন প্রাণ। সবুজের মাঝে রক্তিম ফুল মনকে করে তোলে প্রফুল্ল। রোদ কিংবা বৃষ্টির পর রৌদ্রোজ্জ্বল বিকালে এই ফুলের সৌন্দর্য যেন আরও দ্বিগুণ হয়ে ওঠে। তবে আনন্দের পাশাপাশি রয়েছে এক ধরনের শঙ্কাও। দর্শনার্থীরা বলছেন, দিন দিন কমে যাচ্ছে এই রঙিন গাছের সংখ্যা। উদ্ভিদবিদদের মতে লাল, হলুদ ও সাদা এই তিন রঙের ফুলের মধ্যে সাদা কৃষ্ণচূড়া সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য।

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাশে দাঁড়াই’-এর সভাপতি নয়নাভিরাম গাইন নয়ন জানান, আন্ধার মানিক নদীর ওপর নির্মিত সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় সারি সারি কৃষ্ণচূড়া গাছ ইতোমধ্যেই তৈরি করেছে সেলফির জনপ্রিয় স্পট। এই সৌন্দর্য আরও বাড়াতে সংগঠনের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে নওভাঙ্গা ছালেহিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক মো. ইভান মাতব্বর বলেন, বন বিভাগের সহায়তায় গত বছর যে গাছগুলো রোপণ করা হয়েছে, সেগুলো বড় হয়ে উঠলে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের জন্য এটি হয়ে উঠবে আরও আকর্ষণীয় এক দর্শনীয় স্থান।

মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক চঞ্চল সাহা বলেন, ‘গ্রীষ্মে প্রকৃতি তার নিজস্ব ছন্দে ফিরে আসে। নতুন পাতা, ফুল আর ফলে ভরে ওঠে চারদিক। তার মধ্যে কৃষ্ণচূড়ার এই লাল রঙ যেন প্রকৃতির হাসি।’

প্রকৃতির এই রঙিন হাসি যেন শুধু চোখ জুড়ায় না, মনে জাগায় নতুন আশাও; যদি আমরা যত্নে রাখি, তবে এই লাল আগুনরঙা সৌন্দর্য আরও বহুদিন বাঁচিয়ে রাখা যাবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com