বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত বাড়ানোর পরিকল্পনা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের টাকার পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন আয়োজনের আইনি বাধ্যবাধকতা থাকায় নির্বাচন পরিচালনা ও আচরণ বিধিমালায় এই সংশোধনী আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ভোটারদের সমর্থনসূচক সই জমা দেওয়ার বিধানটিও বাতিলের বিষয়টি ইসির বিবেচনায় রয়েছে।

ইসির আইন ও বিধি সংস্কার কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার কমিটির বৈঠকে জামানত বৃদ্ধি এবং বিধিমালা সংশোধনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই কমিটিতে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর তা কমিশন সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে সমর্থনসূচক সইয়ের বিধান বাতিল হলে প্রার্থীর সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে ইসি। অহেতুক বা ডামি প্রার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জামানত বাড়ানোর কথা ভাবা হলেও পূর্ববর্তী কমিশনের মতো একলাফে দশগুণ বৃদ্ধির পক্ষে নন বর্তমান কমিশনের সদস্যরা। তারা প্রার্থীদের জন্য একটি যৌক্তিক জামানত নির্ধারণ করতে চান।

বিধিমালা সংশোধনের অংশ হিসেবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএমে ভোটের বিধান বাতিল করা হতে পারে। এছাড়া পোস্টার নিষিদ্ধ করা এবং অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বিষয়গুলোও ইসির পরিকল্পনায় রয়েছে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ হাজার এবং সদস্য পদে ১ হাজার টাকা জামানত নির্ধারিত আছে। অন্যদিকে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় পদ এবং ভোটার সংখ্যা ভেদে এটি ৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত রয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত পরিষদ ভেঙে দিয়ে এর আগে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছিল। বিএনপি সরকার গঠনের পর নতুন করে এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক বসানো হয়। স্থানীয় নির্বাচনের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, শিগগিরই স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com