শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডর শিক্ষা ও গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক দিনদিন জোরদার হচ্ছে। আগামীতে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতিতে শিক্ষা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানে কোনো খরচ ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডরের দ্বিতীয় পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও এডুকেশন এক্সপো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক বিশেষ অতিথি ছিলেন।
এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, শিক্ষার্থী বৃত্তির পাশাপাশি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এই দুই দেশের মধ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং গবেষণায় সহযোগিতার ক্ষেত্র ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে। পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান অত্যন্ত ভালো। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে কোনো খরচ ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য মাসিক যে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে, তা তাদের পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ দিতে সহায়ক হবে। শিক্ষামন্ত্রী এডুকেশন এক্সপো উদ্বোধনের পর পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় মন্ত্রী ‘আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ’-এর দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের জন্য শুভকামনা জানান।
উল্লকখ্য, আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপের আওতায় আগামী পাঁচ বছরে এ দেশের মোট ৫০০ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে পাকিস্তানে পড়ালেখার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বছর ‘এডুকেশন এক্সপো’তে পাকিস্তানের মোট ২০টা বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করছে। ইতোমধ্যে প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৪ জন শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার জন্য পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। তারা পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।








