বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কুচকাওয়াজে অংশ নেয় বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বিএনসিসি সদস্যদের সুসজ্জিত কন্টিনজেন্ট। তাদের সমন্বিত পদচারণা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কুচকাওয়াজে অংশ নেয় বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বিএনসিসি সদস্যদের সুসজ্জিত কন্টিনজেন্ট। তাদের সমন্বিত পদচারণা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
শুধু বাহিনীর আনুষ্ঠানিকতা নয়, এ আয়োজন হয়ে ওঠে নতুন প্রজন্মের দেশচেতনারও মঞ্চ। নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউটস ও গার্ল গাইডস সদস্যরা নৈপুণ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে অংশ নেয়। কুচকাওয়াজ পরবর্তী ডিসপ্লেতে শিক্ষার্থীরা দেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ঐতিহ্যকে শারীরিক কসরতের মাধ্যমে জীবন্ত করে তোলে, যা দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে।
জেলা পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস।
তিনি শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে বলেন, তোমাদের পূর্বপুরুষগণ যে অবর্ণনীয় কষ্ট ও আত্মত্যাগ স্বীকার করে একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়ে গেছেন, তাদের প্রতি আমাদের আজীবন শ্রদ্ধা থাকা উচিত। তোমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করবে এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে নিজেদের দক্ষ করে তুলবে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ এবং চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।