মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

মাসুদ গ্রেফতার, ৫ দিনের রিমান্ডে

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

এক-এগারোর কুশীলব বিতর্কিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে অবশেষে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। সোমবার রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়।

সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানব পাচারের অভিযোগে রাজধানীর পল্টন মডেল থানার এক মামলায় তাকে গ্রেফতার করেছে ডিবি। ওই মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। শুনানি শেষে পুলিশ প্রহরায় আসামি মাসুদকে আদালত থেকে বের করা হয়। পরে লিফটে নিচে নামিয়ে তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হওয়া আইনজীবী ও বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে মারে। এতে আসামি মাসুদের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ভিজে যায়। বিক্ষুব্ধ জনতা এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানি লন্ডারিং, মানব পাচার, প্রতারণাসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ১১টি মামলার তথ্য পেয়েছে ডিবি। তবে এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার কার্যক্রম নিয়ে বেশ বিতর্কিত জাতীয় পার্টির সাবেক এই সংসদ-সদস্য। গ্রেফতারের খবরে তার নিজ উপজেলা ফেনীর সোনাগাজীতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন স্থানীয়রা। সূত্র জানায়, এক-এগারোর সময়ে আলোচিত বিষয় ছিল তথাকথিত ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’। যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। সেই সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা এবং বিএনপি নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। গোয়েন্দা হেফাজতে নিয়ে তারেক রহমানের ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়। ওই নির্যাতনের নেপথ্যের মূল কুশীলব মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন বলে দেশের রাজনীতিতে আলোচনা আছে।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে হটিয়ে ওইদিন ড. ফখরুদ্দীন আহমদকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এর মধ্য দিয়ে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যাত্রা শুরু হয়; যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক-এগারো নামে অধিক পরিচিত। সেসময় সেনাপ্রধান ছিলেন মইন ইউ আহমেদ। আর নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। ওই সময় পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেলও হন মাসুদ। জরুরি অবস্থা জারি এবং সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে বড় ভূমিকা ছিল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর। তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসাবে ওই সময় জনমনে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন। দেশের কঠিন ওই পরিস্থিতিতে গুরুতর অপরাধ দমনসংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। এই কমিটির তত্ত্বাবধানেই তখন দুর্নীতিবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়।

সূত্র বলছে, জরুরি অবস্থার ওই সময়ে পর্দার আড়ালে থেকে মাসুদ উদ্দিন যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করেছিলেন। সেনা কর্মকর্তাদের নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী দেশের শীর্ষ রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ এবং পরে তাদের বিরুদ্ধে কথিত দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দিয়েছিল। কাউকে কাউকে দেশত্যাগেও বাধ্য করেছিল তখনকার সরকার। একপর্যায়ে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকেও জোর করে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা চলে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর মাসুদ উদ্দিনকে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসাবে নিয়োগ দেয় তৎকালীন এক-এগারোর সরকার। ২০১১ সালের ২৯ জুন তার চাকরির মেয়াদ শেষ হলেও আওয়ামী লীগ সরকার তিন দফায় তার চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালনের পর অবসর গ্রহণ করেন। অবসরের পর তিনি ঢাকায় রেস্তোরাঁ পরিচালনাসহ একাধিক ব্যবসায় যুক্ত হন। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনয়নে দুই দফায় (২০১৮ ও ২০২৪) ফেনী-৩ আসনের (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) সংসদ-সদস্য ছিলেন।

মূলত মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর সিন্ডিকেটের হোতা হিসাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। মামলা হয়েছে দুর্নীতির মাধ্যমে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও প্রতারণার। জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মাসুদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে দুর্নীতি ও মানব পাচারের মামলাও রয়েছে।

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৭৫ সালে রক্ষীবাহিনীতে। পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পর রক্ষীবাহিনী থেকে অন্যদের সঙ্গে তাকেও সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয়। পারিবারিকভাবে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মীয়। এই সম্পর্কের সূত্রে তার পদোন্নতি ও প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এক-এগারোর সময় ক্ষমতার দাপটে তিনি জিয়া পরিবারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন বলেও দেশে আলোচনা আছে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কারসাজি ও প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। গত বছরের ২৫ আগস্ট মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তার বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টুরোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ফেনী জেলায় ছয়টি এবং ঢাকা মহানগর এলাকায় পাঁচটিসহ এগারোটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ফেনী জেলার তিনটি বিচারাধীন হত্যা মামলায় তার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক পৃথক তিনটি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গ্রেফতার মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ফেনী জেলায় আরও তিনটি এবং ঢাকা মহানগর এলাকায় পাঁচটিসহ আটটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সিআইডিতে একাধিক অভিযোগ রয়েছে, সেগুলো বর্তমানে তদন্তাধীন।

এক-এগারোর সময় রাজনৈতিক নেতাদের ওপর জুলুম ও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে তদন্ত করবেন কি না জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান বলেন, এ ধরনের তথ্য এলে অন্যায়কারী কেউ পার পাবে না। ভুক্তভোগী যে কারও অধিকার আছে আইনের আশ্রয় নেওয়ার। এখনো যদি কেউ আইনের আশ্রয় নেয়, আমরা তাদের স্বাগত জানাব। এছাড়া আমরা যদি তদন্তে পাই, তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর এবং আদালতে পচা ডিম নিক্ষেপ : এদিকে গ্রেফতারের পর মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় তাকে। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন মোর্শেদ হোসেন শাহীন। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শুনানি শেষে পুলিশ প্রহরায় আসামি মাসুদকে আদালত থেকে বের করা হয়। পরে লিফটে নিচে নামিয়ে তাকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হওয়া আইনজীবী ও বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে মারেন। এতে আসামি মাসুদের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ভিজে যায়। এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী আদালতে বলেন, বিদেশে লোক পাঠানোর নামে ২৪ হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়েছেন আজকের এই আসামি। তথাকথিত ১/১১ সরকারের সময় এই আসামিসহ অন্যরা মিলে ট্রুথ কমিশন গঠন করে ব্যবসায়ীদের ধরে এনে নির্যাতন করত এবং তাদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করত। এ আসামি রাজনৈতিক নেতাদেরও ধরে এনে নির্যাতন করত। বিশেষ করে মাইনাস টু ফর্মুলার নামে জিয়া পরিবারকেই শেষ করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু ভাগ্যের কী পরিহাস! যাকে (তারেক জিয়া) টর্চার করে হত্যা করতে চেয়েছিল, তিনিই এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী। টাকার ভাগ কারা কারা পেয়েছে, কোথায় কোথায় তারা টাকা পাচার করেছে, তা জানতে আসামিকে ৫ দিন রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ হোসেন শাহীন রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে জামিনের আবেদন নাকচ করে তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জনশক্তি রপ্তানিতে দুই হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্ট থাকলেও মামলার আসামিরা মাফিয়া সিন্ডিকেটচক্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে সংবিধানের মূলনীতি পরিপন্থি জঘন্য অপরাধ করেছে। মামলার আসামি সাবেক সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন সরকারি চাকরিরত অবস্থায় নিজ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছেলেকে সিন্ডিকেট চক্রের সদস্য হিসাবে ব্যবহার করেছেন। আর সাবেক প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমেদ তার পরিবারের সদস্য অর্থাৎ তার স্ত্রীর বড় ভাইয়ের ছেলেকে বিধিবহির্ভূতভাবে একটি প্রবাসী নামক অ্যাপ চালু করার অনুমোদন দিয়ে চক্রকে সহযোগিতা করেছে।

পরস্পর যোগসাজশে মামলার বাদীর সরলতার সুযোগে ভয়ভীতি ও বল প্রয়োগ করে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে তার কাছ থেকে জোর করে অতিরিক্ত চাঁদা হিসাবে প্রত্যেকের দেড় লাখ টাকা হারে ৮৪১ জনের কাছ থেকে ১২ কোটি ৫৬ লাখ ১ হাজার টাকা আদায় করেছে। এছাড়া তারা সংঘবদ্ধভাবে অন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে তা আত্মসাৎ করেছে।

আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ : যুগান্তরের সোনাগাজী (ফেনী) দক্ষিণ প্রতিনিধি জানান, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতারের খবরে তার নিজ উপজেলা ফেনীর সোনাগাজীতে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ফাঁসি দাবি করে দেওয়া পোস্টগুলো ভাইরাল হয়ে গেছে। এদিকে সর্বস্তরের জনতার পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। তারা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে সোনাপুর বাজারে সর্বস্তরের জনতার পক্ষ থেকে আনন্দ মিছিল করেছে। মিছিলটি সোনাপুর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে তার ফাঁসি দাবি করে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন আমিরাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাজল হক সোহেল, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল আউয়াল সজিব, যুবদল নেতা হাবিব উল্যাহ, এনামুল হক শাহীন, সারোয়ার হোসেন, নুর করিম সুমন প্রমুখ।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com