মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

মা হত্যার বিচার চেয়ে ৪ শিশু রাস্তায়

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গতকাল ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মনজুরুল হক এসব তথ্য জানান। এদিকে হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে কুষ্টিয়া শহরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন আসমা সাদিয়ার চার সন্তান ও স্বজন।

বরখাস্ত তিনজন হলেন– উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিত কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান। তারা হত্যা মামলার আসামি। অধ্যাপক মনজুরুল হক বলেন, হত্যা মামলায় নাম থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটিতে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। সদস্য সচিব করা হয়েছে একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) গোলাম মওলাকে। এ ছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম ও লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী আরিফুজ্জামান খান। কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

আসমা সাদিয়া হত্যার বিচার দাবিতে চার শিশুসন্তান বাবাকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় নেমেছে। গতকাল সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবের সামনে স্বজন ও শিক্ষার্থীর ব্যানারে মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

সমাবেশে আসমার বড় সন্তান ইফফাত তায়্যিবা ইলমা বলেছে, ‘রাতে আমাদের মা আদর করে ঘুম পাড়িয়ে দিত। এখন মা ছাড়া ছোট ভাইবোনেরা ঘুমাতে চায় না। তাই আমরা এখন জেগে থাকি। মাকে যারা হত্যা করেছে, তাদের কঠোর শাস্তি চাই।’

এই শিশুদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড। লেখা ছিল– ‘আমাদের মাকে ফিরিয়ে দাও’, ‘মা-হারা আমরা চার ভাইবোন’। তাদের সঙ্গে ছিলেন নানা শফিকুল ইসলাম, বাবা ইমতিয়াজ সুলতানসহ পরিবারের সদস্যরা। ছোট দুজন ছিল স্বজনের কোলে।

আলটিমেটাম শিক্ষার্থীদের
১৫ দিনের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ পাঁচ দফা দাবিতে গতকাল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। নিহত শিক্ষিকার পরিবারের জন্য ৩০ দিনের মধ্যে চার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং পরিবারের সদস্যদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্য সব সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা, শিক্ষিকার স্মৃতি রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নামকরণ তাঁর নামে করাসহ বিভিন্ন দাবি জানানো হয়।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com