বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। স্থানীয়দের মতে, তার জানাজায় শ্রীবরদীর স্মরণকালের সর্বাধিক সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।
এর আগে বুধবার দুপুর আড়াইটায় শেরপুর পৌর ঈদগাহ মাঠে তার প্রথম জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা এডিএম মাসুম।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন হান্নান
জানাজায় অংশ নেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান, শেরপুর-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম, শেরপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলসহ বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মী, পরিবারের সদস্য এবং হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, ‘নুরুজ্জামান বাদল ছিলেন এলাকায় শান্তি ও ঐক্যের প্রতীক। তার শূন্যতা সব সময় অনুভূত হবে।’
শেরপুর-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেন, তিনি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তার মৃত্যু একটি বড় শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।

মোংলায় বিএনপিতে যোগ দিলেন জামায়াতের ৩০ নেতাকর্মী
শেরপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু শেরপুর-৩ আসনের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে বড় ক্ষতি। তিনি ছিলেন একজন শান্তিপ্রিয় নেতা।’
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহ শহরের স্বদেশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুরুজ্জামান বাদল ইন্তেকাল করেন।








