গতকাল বিকেলে মোবাইল ফোনে ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় কমিশনের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কমিশন এই মুহূর্তে সব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এই স্পেসিফিক ঘটনা একটা তদন্তাধীন ব্যাপার। তদন্ত করে দেখা যাক, এ ঘটনায় কে বা কারা জড়িত ছিল। আপনারা হয়তো এটা মনে করবেন যে যেহেতু নির্বাচনের তফসিলের পরপরই এই ঘটনা ঘটেছে, কাজেই নির্বাচনের সঙ্গে এটা জড়িত।
তিনি আরো বলেন, ‘যদি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানতে চান আমরা আপাতত বলব যে একটা ঘটনা ঘটেছে; এই ঘটনাকে আমরা এখনো বিচ্ছিন্ন ঘটনাই বলতে পারি।’ লক্ষ্মীপুরের একটি নির্বাচন অফিসে আগুন দেওয়া হয়েছে। আপনি এটাকে কিভাবে দেখবেন? এই প্রশ্নে এই কমিশনার বলেন, ‘এখন আমরা নির্বাচন করার জন্য একেবারে বদ্ধপরিকর। আমরা দেখেছি যে আজ (শনিবার) সরকার সব দল নিয়ে বসেছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় যাঁরা রয়েছেন তাঁদের নিয়েও বসছে।
এখন তো প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে চলে এসেছে। তফসিলের পর তো সেটিই ঘটে থাকে, এমন বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে উত্তরে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘এই তত্ত্বাবধান বলতে কিন্তু এই নয় যে তাদের বিভাগের কাজ তারা করবে না। এই যে একটা ঘটনা ঘটেছে, পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তত্ত্বাবধান বলতে আমাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি লাগবে বা আমাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে, এ ধরনের কিছু না। তবে আমাদের কাছ থেকে এই বার্তা সব সময় আমরা দিয়ে আসছি যে নির্বাচনের পরিবেশ ভঙ্গ করতে পারে বা নির্বাচনের যাত্রাকে কেউ বিঘ্নিত করতে পারে, এ ধরনের কোনো অশুভ বা অন্যায্য কোনো ঘটনা যদি ঘটে তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সেখানে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কমিশন এই মুহূর্তে পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। আমাদের উপজেলা ইলেকশন অফিসগুলোকে সতর্ক থাকতে বলেছি।’
এর আগে হাদির ওপর গুলির ঘটনায় গত শুক্রবার থেকেই পুলিশের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।