দেশের পর্যটন মানচিত্রে কক্সবাজারের আকর্ষণ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত, পাহাড়-সাগরের অনন্য মিলন আর উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বছরে প্রায় ৭০ লাখ পর্যটক ছুটে আসে এখানে। স্বল্প সময়ে এত বিপুল ভ্রমণচাপ কক্সবাজারকে পরিণত করেছে দেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ব্যাবসায়িক বাজারে। আবাসন, রেঁস্তোরা, যাতায়াত, বিনোদন, ট্যুর সার্ভিস—সব খাতেই চাহিদা বাড়ছে দ্রুত।
পর্যটনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে নতুন নতুন উদ্যোক্তা, আর পুরনো ব্যবসায়ীরা দেখছেন আয় বৃদ্ধির বড় সুযোগ। সেন্ট মার্টিন, মেরিন ড্রাইভ ও সৈকতকেন্দ্রিক পর্যটন সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে কক্সবাজার এখন হয়ে উঠছে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের অন্যতম শক্তিশালী কেন্দ্র।
পর্যটনসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভ্রমণবিলাসী মানুষ বেশির ভাগই কক্সবাজার বেড়াতে আসে শুধু সাগরের ফেনিল ঢেউয়ে গা ভাসানোর টানে। গোধূলির সময় স্বচ্ছ বালুচরে দাঁড়িয়ে অথৈ সাগরে সূর্যাস্তের দৃশ্য অবলোকনের সময়টাতে সাগরপারের ভিড় দেখলেই উপলব্ধি করতে কষ্ট হয় না যে প্রকৃতির প্রতি মানুষের কত টান।
সমুদ্রসৈকত দর্শন ছাড়াও পর্যটকরা ছুটে যায় সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক, মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপ, রামুর ঐতিহাসিক বৌদ্ধপল্লী, মিনি বান্দরবান হিসেবে পরিচিতি পাওয়া রূপসী গোয়ালিয়ার সবুজের পাহাড়, ইনানি পাথুরে সৈকতসহ কক্সবাজারের আরো অনেক নয়নাভিরাম দৃশ্যের এলাকাগুলোতে।