তিনি বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ে সমন্বয়টা আপনারাই করে থাকেন। সুতরাং নির্বাচনের সময়ও এ সমন্বয়টা খুবই জরুরি। কোনো ক্রাইসিস হলে শুরুতেই যেন ট্যাকেল করা যায় সে চেষ্টা আপনারা নেবেন। সবকিছু শেষ হওয়ার পরে তখন দেখবেন যে আর কেউ নেই, সবাই মারামারি করে ভোটের কেন্দ্র দখল করে, বাক্স দখল করে বাড়ি চলে গেছে। আর আপনি গিয়ে হাজির হলেন সেটা যাতে না হয়। এটা আপনাদেরকে এনসিওর করতে হবে।’অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘নির্বাচনের ব্যাপারে দেশের মানুষের মধ্যে একটা কিন্তু হয়ে গেছে। অভিযোগ আছে ভোটটা রাতেই হয়ে গেছে। এই নির্বাচন যদি আমরা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য এবং ভাল করতে না পারি তাহলে বিশ্বের কাছে আমরা জাতি হিসেবে লজ্জিত হব। আমরা নিন্দনীয় অবস্থায় চলে যাব। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আমাদের ভালো নির্বাচন করা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।’মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে মোটিভেট করতে হবে, ভোটারদের কাছে যেতে হবে। সুশৃঙ্খল পরিবেশ ভালো নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য। মোবাইল কোর্ট আয়নার মতো স্বচ্ছ হতে হবে। পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। এখন থেকে মোবাইল কোর্ট রেগুলার করতে হবে। এই নির্বাচনে যারা ভালো দায়িত্ব পালন করবে তাদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।’উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অতি সাহসী না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইসি তাহমিদা আহমদ বলেন, ‘আমরা সাহসী হবো, তবে অতি সাহসী না। অতীতে অতি উৎসাহী হয়ে অনেকে অনৈক কিছু করেছেন। এবার এসব করা যাবে না। আগের প্রশিক্ষণ ভুলে যেতে হবে। এখন যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে সেটি নিতে হলে। আগের নির্বাচন আমরা সবাই মিলে নষ্ট করেছি।’