আবার কখনো পড়তে পারবেন বলে ভেবেছিলেন কি না—এই প্রশ্নের জবাবে শীলা বলেন, ‘একদম আশা করিনি!’ তিনি বলেন, ‘এটি অসাধারণ অনুভূতি।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রযুক্তি এত দ্রুত এগোচ্ছে! দারুণ ব্যাপার যে আমি এর অংশ হতে পারছি।’ সাধারণত বাইরে যাওয়ার সময় শীলা যন্ত্রটি পরেন না। এটি ব্যবহারে তাঁকে অনেক মনোযোগ দিতে হয়, পড়ার সময় মাথা একদম স্থির রাখতে হয়। এ ছাড়া তিনি যন্ত্রটির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হতে চান না। তিনি বলেন, প্রতিদিন ঘরের কাজগুলো তাড়াতাড়ি শেষ করে তিনি বসে যান এবং বিশেষ চশমাটি পরেন।
উল্লেখ্য, প্রাইমা ইমপ্লান্টটি এখনো লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয়, তাই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরে এটি পাওয়া যাচ্ছে না। ভবিষ্যতে এর দাম কত হতে পারে, তাও এখনো স্পষ্ট নয়। তবে মাহি মোকিত আশা প্রকাশ করেছেন, এটি ‘কয়েক বছরের মধ্যেই এনএইচএসের মাধ্যমে কিছু রোগীর কাজে আসতে পারে।’ এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে অন্যান্য চোখের রোগেও ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ম্যাকুলার সোসাইটির গবেষণা পরিচালক ডা. পিটার ব্লুমফিল্ড এই ফলাফলকে ‘উৎসাহব্যঞ্জক’ এবং এমন রোগীদের জন্য ‘অসাধারণ খবর’ বলে উল্লেখ করেছেন, যাদের জন্য বর্তমানে কোনো চিকিৎসা নেই।তিনি বলেন, ‘কৃত্রিম দৃষ্টিশক্তি অনেকের জন্য আশার আলো হতে পারে, বিশেষ করে ড্রাই এএমডি চিকিৎসায় আগের হতাশার পর। আমরা এখন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি, প্রাইমা ইমপ্লান্টটি যুক্তরাজ্যে অনুমোদন পায় কি না এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, এটি এনএইচএসের মাধ্যমে রোগীদের দেওয়া সম্ভব কি না।’
তবে এই ট্রায়ালগুলো সেসব রোগীর ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না, যাঁদের অপটিক নার্ভ, যেটি রেটিনা থেকে মস্তিষ্কে সিগন্যাল পাঠায়, কাজ করছে না। সূত্র : বিবিসি