জাতীয় জাদুঘরে চাকরির সুবাদে এই গুণী শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের সাথে ১৯৮২ সালে পরিচয় হয়। জাদুঘরের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ছাড়াও গ্যালারি সজ্জায় পরামর্শ নিতে তাকে আনা হতো। আমি তাঁর পিতৃভূমি শৈলকুপার লোক জেনে অনেক স্নেহ করতেন। ২০১৪-১৭ সালে কয়েকবার বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা ইত্যাদি ডিজাইন সভায় জাতীয় জাদুঘরের প্রতিনিধি হিসেবে কয়েকবার তার সাথে কাজ করার সময় তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সবাইকে মুগ্ধ হতে দেখেছি। এতবড় একজন গুণী মানুষ শৈলকুপায় জন্মেছিলেন কিন্তু আমরা তাঁর পিতৃভূমির লোকেরা তাকে কতটা বুঝেছি ও মূল্যায়ন করেছি সেটা বিচার্য। কীর্তিমানেরা যেমন তাদের কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকে তেমনি তিনিও থাকবেন। হে মহান আল্লাহ তায়ালা তুমি এই গুণী শিল্পীর সব ত্রুটি মাফ করে দাও এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব কর, আমীন।