মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বেই বাস্তবায়িত হবে

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় সংসদে তিস্তা মহাপরিকল্পনার তথ্য-উপাত্ত এবং আরেকটি তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের পর টেকনিক্যাল টিম নিয়ে তিস্তা অববাহিকা পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ত্রাণমন্ত্রী  আসাদুল হাবিব দুলু ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। গতকাল শুক্রবার দিনভর তিস্তা ব্যারাজ, সেচ ক্যানেল, তিস্তা অববাহিকা এবং বেশ কিছু শাখা-উপশাখা নদী পরিদর্শনে আসেন পানিসম্পদমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও ত্রাণমন্ত্রী।

সঙ্গে ছিলেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ টিম। তাঁরা সকালে নীলফামারী, দুপুরে লালমনির হাট ও বিকেলে রংপুর যান। 

বিকেল সাড়ে ৫টায় তিন মন্ত্রী আসেন রংপুরের কাউনিয়ার তিস্তা সেতু পয়েন্টে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা মানচিত্রের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন তিন মন্ত্রীর কাছে।

এরপর তিন মন্ত্রী নগরীর ঘাঘট, তারাগঞ্জের বুল্লাই, করতোয়া, যমুনেশ্বরী ও চিকলি নদী এবং সদরে তিস্তা সেচ খাল ও তারাগঞ্জে বগুড়া সেচ খাল পরিদর্শন করেন। রংপুরের কাউনিয়া পয়েন্টে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন, একটু ধৈর্য ধরতে হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিস্তা পরিকল্পনার কাজ দৃশ্যমান হবে। এর আগে দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে যান তিন মন্ত্রী।
তাঁরা ব্যারাজের উজান ও ভাটি এলাকা পরিদর্শন ছাড়াও লাল মনিরহাটের হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারীর তিস্তা অববাহিকা পরিদর্শন করেন। সেখানে স্থানীয়দের কথাও শোনেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা। 

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘খুব শিগগিরই আমাদের এই টেকনিক্যাল টিম কাজ করার পর দৃশ্যমান প্রতিবেদন হবে। তার আলোকেই পদ্মা ব্যারাজের মতো তিস্তা ব্যারাজ ও মহাপরিকল্পনা একনেকে পাস হবে।’ তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা এবার তারেক রহমানের নেতৃত্বেই বাস্তবায়ন হবে।

এটা হচ্ছে মানুয়ের প্রত্যাশার জায়গা—বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে আমাদের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। তিস্তা নদীর অববাহিকার স্থায়ী সমাধান দরকার। ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তিস্তায় সর্বপ্রথম ব্যারাজ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ১৯৭৮ সালে তিস্তা মহাপরিকল্পনার চিন্তা গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ এবার শেষ করবেন। আমি যেমন পদ্মা ব্যারাজের দায়িত্ব নিয়েছি, তেমনি এবার আমি তিস্তা মহাপরিকল্পনার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করব দ্রুত। একনেকে পাস করে কাজ শুরু করব।’ তিনি বলেন, ‘বিশেষ কারিগরি সমীক্ষা আমরা একটু বেশি সময় নিচ্ছি। হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প যদি ভালোভাবে না হয় তাহলে আপনারাই বলবেন কি কাজ করল, এখন নদীতে পানি নেই।’ 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, তিস্তাপারের মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব এবং নদীকেন্দ্রিক সমস্যার টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত ও পরিকল্পিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক সরেজমিনে পরিদর্শন ও মূল্যায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নদী ও পানি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কারিগরি ও বাস্তবভিত্তিক পর্যালোচনা চলছে।

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com