মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

জামালপুরে বজ্রপাতে ছাত্রশক্তির নেতাসহ দুজনের মৃত্যু

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

জামালপুরে গতকাল শুক্রবার পৃথক স্থানে বজ্রপাতে এনসিপির ছাত্রশক্তির নেতাসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। জামালপুর সদর ও মাদারগঞ্জ উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন মাদারগঞ্জ উপজেলার জোড়খালী ইউনিয়নের কামারপাড়া এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে মজনু মিয়া (২৬) এবং সদর উপজেলার মেষ্টা ইউনিয়নের ছোট আরংহাটি গ্রামের আফসার আলীর ছেলে কৃষক ফারুক হোসেন (৩৯)। তাঁদের মধ্যে মজনু মিয়া এনসিপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রশক্তির মাদারগঞ্জ উপজেলা কমিটির একজন সদস্য। 

গত এক মাসে জেলায় বজ্রপাতে প্রাণ গেছে আরো ছয়জনের। এতে মাঠে কাজকর্মে থাকা কৃষকরা বজ্রপাতের আতঙ্কে রয়েছেন।

তাঁরা বলছেন, বড় মাঠের কৃষিজমির পাশে পাকা ছোট ছাউনি বা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হলে ঝড়বৃষ্টি বা বজ্রপাতের সময় কৃষকরা দ্রুত সেখানে আশ্রয় নিতে পারবেন। 

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ত্রাণ শাখা সূত্রে জানা গেছে, বজ্রপাতে গত ২৪ এপ্রিল তিনজন, ২৯ এপ্রিল দুজন এবং ৫ মে একজন মারা যান। নিহতদের মধ্যে তিনজন কৃষক, একজন জেলে, একজন শিক্ষার্থী ও একজন গৃহিণী রয়েছেন।

কৃষক লালমান মিয়া বলেন, ‘প্রতিবছরই বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু হয়।

ঝড়বৃষ্টি শুরু হলেই মনে ভয় কাজ করে। যমুনার চরের কৃষকরা সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে থাকেন। ঝড় শুরু হলে নিরাপদ স্থানে যেতে প্রায় আধাঘণ্টা সময় লাগে, এতে ভয় আরো বেড়ে যায়।’ 

জামালপুর পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘জামালপুরে ২০২১ সালে বজ্রপাতে এক দিনেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়া প্রতিবছরই বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। গত পাঁচ বছরে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই কৃষক। বড় মাঠে পাকা ছোট ছোট ছাউনি বা আশ্রয়কেন্দ্র থাকলে কৃষকদের উপকার হবে।’ 

জামালপুরের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহেল কাফি বলেন, ‘মাঠে পাকা ঘর বা ছাউনি নির্মাণের কোনো প্রকল্প বর্তমানে নেই। তবে বজ্রপাত প্রতিরোধে বিভিন্ন জায়গায় তালবীজ রোপণ করা হয়েছে।’

জামালপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলম শরীফ খান বলেন, ‘কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে, যাতে ঝড়বৃষ্টির সময় তাঁরা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। মাঠে ছাউনি বা নিরাপদ আশ্রয়স্থল তৈরির কোনো প্রকল্প এই মুহূর্তে নেই।
তবে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।’

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com