গতকাল শনিবার ঢাকার প্ল্যানার্স টাওয়ারে বিআইপি কনফারেন্স হলে ‘জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই পরিবহন ও যোগাযোগ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মু. মোসলেহ উদ্দীন হাসান।
গতকাল শনিবার ঢাকার প্ল্যানার্স টাওয়ারে বিআইপি কনফারেন্স হলে ‘জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই পরিবহন ও যোগাযোগ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মু. মোসলেহ উদ্দীন হাসান।
একটি মোটরগাড়ি তৈরিতে যে পরিমাণ ধাতু লাগে, সেই একই পরিমাণ ধাতু দিয়ে প্রায় ১৫০টি সাইকেল তৈরি করা সম্ভব, যা পরিবেশবান্ধব পরিবহনের গুরুত্বকে স্পষ্ট করে। জ্বালানি ব্যবহারের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে হলে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে বিআইপি সভাপতি ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, দেশে পরিবহন ব্যবস্থা ক্রমেই আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে, যা জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সৌরবিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিআইপি পরিবহন ও নগর পরিকল্পনা খাতে ৩১ দফা প্রস্তাব তুলে ধরে। উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবগুলো হলো মোটরসাইকেলের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও নির্ভরতা কমানো, ইলেকট্রিক বাস ও মিনিবাস চালু, ঢাকাসহ বড় শহরে দ্রুত বিআরটি চালু, জেলা যোগাযোগে রেল ও নৌপথের ব্যবহার বৃদ্ধি, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৯০ ওয়ার্ডে এক লাখ সাইকেল নিয়ে শেয়ারিং প্রকল্প চালু, জাতীয় নগর পরিবহন ফান্ড গঠন ও গণপরিবহনে ভর্তুকি, বাস আমদানি করে সরকার নিয়ন্ত্রিত সিটি বাস সার্ভিস চালু, গণপরিবহনের যন্ত্রাংশে ট্যাক্স কমানো এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে ট্যাক্স বৃদ্ধি, স্কুলের সামনে ৫০ মিটারের মধ্যে গাড়ি পার্কিং নিষিদ্ধ শহরে নৌ-ট্যাক্সি চালু এবং খালি ট্রাক চলাচল কমাতে ডিজিটাল অ্যাপ চালু।
বিআইপি বলেছে, প্রধানমন্ত্রীসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের দৈনন্দিন যাতায়াত বাসভিত্তিক করা হলে গণপরিবহনের প্রতি আস্থা বাড়বে।