বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

গাইনিকোম্যাস্টিয়া: পুরুষের স্তন বৃদ্ধি

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

গাইনিকোম্যাস্টিয়া হলো পুরুষের স্তন অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার একটি অবস্থা, যা অনেক সময় মানসিক অস্বস্তি ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। বয়ঃসন্ধিকালে কিশোরদের মধ্যে এর প্রবণতা বেশি দেখা যায়, যা সাধারণত দুই-তিন বছরের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে আসে।

কখন এটি সমস্যা?
যদি ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সেও স্তন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না আসে বা পোশাকের বাইরেও স্পষ্ট বোঝা যায়, তবে এটি একটি সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হয়। যখন এ সমস্যা সামাজিক জীবনে বাধা দেয়, তখন এর চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

কারণ: অনেক সময় হরমোনজনিত রোগ, কিছু নির্দিষ্ট ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা স্থূলতার কারণে গাইনিকোম্যাস্টিয়া হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই এর সঠিক কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।

চিকিৎসা: যদি কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা হরমোনজনিত কারণে এ সমস্যা হয়, তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একমাত্র সমাধান হলো শল্যচিকিৎসা। এ অপারেশনে স্তন গ্রন্থির অস্বাভাবিক অংশ অপসারণ করা হয়। তবে স্তনের স্বাভাবিক আকৃতি বজায় রাখার জন্য চারপাশে চর্বির স্তর রেখে দেওয়া হয়।
যদি এ সমস্যা ব্যক্তিগত বা সামাজিক জীবনে কোনো বাধা সৃষ্টি না করে, তবে অপারেশন জরুরি নয়। তবে মানসিক বা সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করলে অপারেশনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সমাধান করা সমীচীন।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক (প্লাস্টিক সার্জারি), জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এবং কনসালট্যান্ট, মনোয়ারা হসপিটাল, সিদ্ধেশ্বরী রোড, ঢাকা

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com