মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

যেভাবে শহীদ হন আব্দুল্লাহ ইবনে মাখরামাহ (রা.)

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে
শহীদি মৃত্যুর প্রবল আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যাঁরা সারা জীবন ইসলামের পক্ষে লড়াই করে গেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম বীর সাহাবি আব্দুল্লাহ (রা.)। তাঁর উপনাম আবু মুহাম্মদ। পিতা মাখরামাহ। মা বাহনানাহ বিনতে সফওয়ান ইবনে উমাইয়া ইবনে মিহরাস।

বনু কিনানাহ গোত্রের কন্যা। 

(আত-ত্বাবাক্বাতুল কুবরা : ৩/৩০৮, আল-ইসাবাহ : ৪/১৯৩

ইসলাম ও হিজরত

তিনি ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুসলমান হন এবং দ্বিতীয় পর্বে হাবশা হিজরতকারী জাফর ইবনে আবু তালিব (রা.)-এর দলের সঙ্গে হাবশা হিজরত করেন। বালাযুরী বলেন, (কিছুকাল হাবশা থাকার পর) ফিরে আসেন মক্কায়। এরপর মক্কা থেকে হিজরত করেন মদিনায়।

মদিনায় গিয়ে প্রথমে কুলছুম ইবনে হিদম (রা.)-এর মেহমান হন। এরপর রাসুল (সা.) ‘বনু বায়াযাহ’ গোত্রের ফারওয়াহ ইবনে আমরের সঙ্গে তাঁর ভ্রাতৃত্ব সম্পর্ক স্থাপন করে দেন। (আত-ত্বাবাক্বাতুল কুবরা : ৩/৩০৮—৩০৯, আল-ইসাবাহ : ৪/১৯৩) 

যুদ্ধ-জিহাদ

আব্দুল্লাহ ইবনে মাখরামাহ (রা.) বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণের সৌভাগ্য অর্জন করেন। তখন তাঁর বয়স ৩০ বছর।

বদর-পরবর্তী সব যুদ্ধে রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে অংশ নেন। (আত-ত্বাবাক্বাতুল কুবরা : ৩/৩০৮—৩০৯) 

শাহাদাতবরণ

শাহাদাতের অদম্য স্পৃহা ছিল তাঁর অন্তরে। তিনি প্রায়ই মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন, ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিটি জোড়া আঘাতে আঘাতে ক্ষতবিক্ষত না হওয়ার আগ পর্যন্ত আমাকে দুনিয়া থেকে তুলে নিয়ো না।’ (মুজামুস সাহাবা : ৪/২৯, আল-ইসাবাহ : ৪/১৯৩)

এমন তীব্র বাসনা নিয়ে রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে সব যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে শরিক ছিলেন। রাসুল (সা.)-এর ইন্তেকালের পর মাথাচাড়া দিয়ে উঠে মুরতাদ ও ধর্মদ্রোহীদের ফিতনা।

আবু বকর (রা.) কঠোরভাবে ওই সব ফিতনা নির্মূল করেন। ১২ হিজরি সনে সংঘটিত হয় ইয়ামামার যুদ্ধ। আব্দুল্লাহ ইবনে মাখরামা (রা.) শাহাদাতের অদম্য আগ্রহ অন্তরে নিয়ে যোগদান করেন। জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেন। এক পর্যায়ে সারা শরীর ঝাঁঝরা করেন। রোজার মাস। রোজা রেখেছেন তিনি। ইফতারের সময় আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) তাঁর খবর নিতে গিয়ে দেখেন তিনি অন্তিম সময়ে। কাতর স্বরে জিজ্ঞেস করলেন, ইবনে উমর! ইফতারের সময় কি হয়েছে? বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে আমার জন্য একটু পানির ব্যবস্থা করুন। হজরত ইবনে উমর (রা.) পানি এনে দেখেন তিনি আর বেঁচে নেই; চলে গেছেন প্রভুর সান্নিধ্যে। তখন তাঁর বয়স ছিল ৪১ বছর। তাঁর কোনো সন্তানাদি ছিল না। তাঁর ভাইয়ের সন্তানদের তাঁর দিকে সম্বন্ধ করা হয়। (আত-ত্বাবাক্বাতুল কুবরা : ৩/৩০৮—৩০৯) 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com