বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

হাম ও উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যু ২০০ ছাড়াল

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত হামে দুই এবং এ রোগ সন্দেহে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ১৯১ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮১১ শিশু। আর নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯২ শিশুর দেহে।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মৃত্যুর দিক থেকে ঢাকা বিভাগ শীর্ষে রয়েছে। এ বিভাগে মোট ৯৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ২০ জনের মৃত্যু হাম এবং ৭৮ জনের মৃত্যু সন্দেহজনক হাম হিসেবে চিহ্নিত। এর পরেই রয়েছে রাজশাহী বিভাগ, যেখানে মোট ৬৮ শিশু মারা গেছে। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৬, খুলনায় ১০, বরিশালে সাত ও সিলেট বিভাগে মৃত্যু হয়েছে পাঁচ শিশুর।

শনাক্তের ক্ষেত্রেও ঢাকা বিভাগ এগিয়ে রয়েছে। গত এক মাসে মোট ৩ হাজার ৬৫ হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ১ হাজার ৮৪৫ শিশুই ঢাকা বিভাগের। রাজশাহী বিভাগে শনাক্ত হয়েছে ৮১৩ শিশু। এ সময়ে সারা দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৩৫২-এ, যার মধ্যে ৮ হাজার ৭৫৯ ঢাকা বিভাগে ও ৩ হাজার ৯৫৪ রাজশাহী বিভাগে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ পরিস্থিতির পেছনে শুধু হাম নয়, বরং অন্যান্য সহসংক্রমণও দায়ী। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পালমোনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. কামরুজ্জামান কামরুল বণিক বার্তাকে বলেন, ‘অ্যাডিনোভাইরাসসহ অন্যান্য সংক্রমণের কারণেও অনেক শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে এ প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও হাজার হাজার শিশু সুস্থ হয়ে উঠছে।’

টিকাদানে ঘাটতি, অপুষ্টি, ভিটামিনের অভাব ও সামাজিক কুসংস্কারের কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমলেও আগের আক্রান্তদের মধ্যে নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার নতুন করে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের এ কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে। হার্ড ইমিউনিটি নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অন্তত ৯৫ শতাংশকে টিকার আওতায় আনা জরুরি।’

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com