বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

১৩৩ অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রে অনন্য নজির

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও দেশের আইনি কাঠামোর ধারাবাহিকতা রক্ষায় অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।

গতকাল রবিবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ’ বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে মূল বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আরো উপস্থিত ছিলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।

 

অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বাতিল অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই হবে। যেসব অধ্যাদেশ উপস্থাপন হয়নি, সেগুলো নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ববর্তী সরকারের আমলের অধ্যাদেশগুলো নিষ্পত্তির আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও শবেবরাতের দীর্ঘ ছুটির কারণে কার্যদিবস কম থাকলেও সংসদ সচিবালয়, আইন মন্ত্রণালয়, বিজি প্রেস ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিনরাত পরিশ্রমে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সময়ের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিধি মোতাবেক জাতীয় সংসদের স্পিকারের বিশেষ এখতিয়ারে বিলগুলো উত্থাপন ও নিষ্পত্তি করা হয়েছে। 

মন্ত্রী আরো বলেন, স্থায়ী কমিটিগুলো এখনো গঠিত না হওয়ায় একটি ‘বিশেষ সংসদীয়’ কমিটির মাধ্যমে এই ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ ও পাসের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, ৯৮টি অধ্যাদেশ অবিকল অবস্থায় সর্বসম্মতিক্রমে পাসের সুপারিশ করা হয়েছে। ১৬টি অধ্যাদেশ অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পরবর্তী অধিবেশনে বিল আকারে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অবশিষ্ট অধ্যাদেশগুলো সংশোধিত আকারে অথবা রহিত ও হেফাজতকরণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় সংসদে উত্থাপিত বিলসংখ্যা নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার প্রশ্ন ও ভুল-বোঝাবুঝির জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইনমন্ত্রী ফ্লোরে জবাব দিয়েছেন যে ৯১টার মধ্যেই কিন্তু বাকি ১৭টা অন্তর্ভুক্ত। কারণ কোনো কোনো অধ্যাদেশ জারি হওয়ার ১৫-২০ দিন, এক মাস, দুই মাস পরে দ্বিতীয় সংশোধনী আনা হয়েছে, কোথাও কোথাও তৃতীয় সংশোধনীও আনা হয়েছে। মূলত অধ্যাদেশ একটাই। যখন বিল আকারে উত্থাপন করা হয় জাতীয় সংসদে, সব অধ্যাদেশগুলোকে এক করে একটা বিল আকারেই উত্থাপন করা হয়েছে।
এটা হয়তো বিরোধীদলীয় নেতা খেয়াল করেননি। 

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউটের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও উদার। কিউরেটর নিয়োগ ও পদত্যাগ সংক্রান্ত বিধিগুলো আরো স্বচ্ছ ও যৌক্তিক করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, আগামী অধিবেশনে এটি আরো আলোচনা ও সংশোধনের মাধ্যমে ফের উপস্থাপন করার সুযোগ রয়েছে।

গুম কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও আইসিটি আইন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিজে গুমের শিকার। আমরা চাই না তাড়াহুড়া করে কোনো ত্রুটিপূর্ণ আইন পাস হোক, যাতে অপরাধীরা আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়ে যায়। কিছু অসংগতি দূর করে সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই আইনগুলোকে আরো আধুনিক ও শক্তিশালী করা হবে, যাতে ভুক্তভোগীদের জন্য সর্বোচ্চ ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।’

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com