বাংলাদেশে গত বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে যথাযথ মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে [১.১.২, ১.৩.৫]। ১৯৭১ সালের এই রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চালানো নৃশংস হত্যাযজ্ঞের স্মরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয় [১.৩.২, ১.৪.১]।
এ বছর দিবসটি উপলক্ষে গৃহীত প্রধান কর্মসূচিগুলো ছিল:
প্রতীকী ‘ব্ল্যাক-আউট’: কালরাত স্মরণে বুধবার রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাক-আউট’ পালন করা হয় [১.৩.১, ১.৪.৬]। তবে জরুরি স্থাপনাগুলো এই কর্মসূচির আওতামুক্ত ছিল [১.৪.৪]।
শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোমবাতি প্রজ্বলন: শহীদদের স্মরণে বদ্ধভূমিসহ বিভিন্ন মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় [১.১.২]। ছাত্রলীগ ও যুবলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম ও ফটিকছড়িতে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করে [১.২.১, ১.২.৩]।
আলোচনা সভা ও সেমিনার: দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় [১.২.৮, ১.৪.৬]। এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে সকালে একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় [১.২.১১]।
আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও প্রামাণ্যচিত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন এলাকায় গণহত্যার দুর্লভ আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয় [১.৪.৫, ১.৪.৬]।
বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা: জোহরের নামাজের পর দেশের সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয় [১.৪.৬, ১.৪.৭]।
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী প্রদান করেছেন, যেখানে তাঁরা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানার আহ্বান জানান