মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

শহীদ জিয়ার খাল খননের প্রধানমন্ত্রীর উদ্ব্যোধন

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এক ভিন্ন চিত্র দেখলো জাতি। তিনি গতকাল দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়ায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। অতপর খালের পাড়ে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন। এ যেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কার্বণকপি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। লক্ষ্য ছিল বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখা এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচব্যবস্থা নিশ্চিত করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কোথাও কোদাল হাতে নিজেই মাটি কাটছেন, কোথাও কাঁদা মাখামাখি শরীরে মাটিতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছেন। তারেক রহমানও যেন পিতার মতোই নিজেই কোদাল হাতে মাটি কাটলেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেই কোদাল হাতে খাল খনন করায় দেশের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, সমাজের ধনাঢ্য ব্যাক্তিরাও উদ্বুদ্ধ হয়ে খাল খননে কোদাল ধরবেন।

শুধু কি তাই, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর কয়েকহাত দূরে সাধারণ মানুষ গিজগিজ করছে। রাস্তা দিয়ে তার গাড়ি যাচ্ছে তিনি হাত নেড়ে গ্রামের মানুষকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। আইন শৃংখলা বাহিনী তাদের দূরে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন। এ যেন এক অতি সাধারণ প্রধানমন্ত্রী; যিনি নিরাপত্তাকে তুচ্ছজ্ঞান করে জনগণের কাতারে হাজির।

জিয়াউর রহমানের শাসনামলে এখনকার মতো তথ্য প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল, সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না। তারপরও কাজের বিনিময়ে খাদ্যের (কাবিখা) মাধ্যমে পরিচালিত খালকাটা কর্মসূচি ‘জিয়া মডেল’ হিসেবে পরিচিত। রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে তিনি জমিতে সেচব্যবস্থা নিশ্চিতে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশের মডেল তৈরি করে ইতিহাসে গড়েছেন। তারেক রহমানও পিতার মতোই জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

দেশ স্বাবলম্বী করে তুলতে পিতা-মাতার সুদূরপ্রসারী চিন্তা তার মধ্যেও জাগ্রত।
কথা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অতি সাধারণ হয়ে উঠার দৃশ্য। অতীতের প্রধানমন্ত্রী কোথাও গেলে সেখানে রাস্তায় জনগণকে দুর্ভোগে পড়তে হতো। ভিভিআইপি চলে না যাওয়া পর্যন্ত মানুষকে যন্ত্রণা সহ্য করতে হতো। অথচ তারেক রহমান ব্যাতিক্রম। ঢাকার রাজপতেও তিনি কার্যত স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিনাজপুর সফর এবং কালকাটা কর্মসূচি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় বইছে। নেটিজেনদের প্রায় সকলেই বলছেন, সড়কে এতো সাধাসিধেভাবে চলাচল করা প্রধানমন্ত্রী তারা বহু বছর পর দেখলেন। দু’বছর আগেও দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন ঢাকার রাস্তায় এবং দেশের কোনো অঞ্চলের রাস্তা দিয়ে কোথাও যেতেন; তার এক ঘন্টা আগে ওই রাস্তার জনসাধারণের যানবাহনের যাতায়াত বন্ধ করে রাখা হতো। আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা চলাচল করা যানবাহন দাঁড় করিয়ে রেখে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়ার রাস্তা নির্বিঘœ করতে মহাব্যস্ততা দেখাতেন। গরম ও ঝড়বৃষ্টিতে মানুষকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। অথচ তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওযার পর থেকে তার যাতায়াতের জন্য সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে যানবাহন রাস্তায় আটকিয়ে রাখা হচ্ছে না। এমনো দৃশ্য দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেব গাড়ী বহর মানুষ দেখলে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। তিনি নিজের গাড়ির বহরও ছোট করেছেন।

দীর্ঘ দিন যুগ পর দেশের মানুষ পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেয়েছেন। যতই নারী পুরুষ সমঅধিকার এবং সমান যোগ্যতার কথা বলা হোক না কেন; জন্মগত ভাবেই নারী আর পুরুষের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ’১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের ৩৬ বছর পর প্রথম দেশ পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে। শুধু তাই নয় তারেক রহমানের অতি সাধারণ চলাচল নাগরিকরা দারুণ খুশি। প্রধানমন্ত্রীর দিনাজপুর সফরকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা তার ভুয়সী প্রশংসা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের কারণে সড়ক এবং মহাসড়কে যানবাহন চালাচল বন্ধ করে না রাখার ভুয়সী প্রশংসা এবং স্যালুট জানিয়েছেন অনেকেই। জাহিদুল ইসলাম নামের একজন লিখেছেন, ‘মনটা ভরে গেলে আমাদের পুরুষ প্রধানমন্ত্রীকে দেখে। সত্যিই অবাক করার মতো দৃশ্য। গাড়িতে রংপুর যাচ্ছি। দশমাইল পার হয়ে রামডুবি বাজারের পর চোখে পড়লো সামনে একটা পুলিশ ভ্যান আসছে। তাকাতেই দেখি পুলিশ ভ্যানের পিছনে কয়েকটি গাড়ি। স্বাভাবিক ভাবে গাড়ি চললেও বুঝতে পারিনি গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে দেখলাম ৩ নম্বর গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবলীল ভঙ্গিমায় হাত নেড়ে পথচারীদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এ দৃশ্য বিগত দিনে ছিল কেবল স্বপ্ন। প্রধানমন্ত্রী এলে দশমাইল থেকে সৈয়দপুর পর্যন্ত পুরোপুরি বন্ধ থাকতো। —–’। প্রধানমন্ত্রিত্বের চেয়ারে বসেও তারেক রহমানের অতি সাধারণ চলাচল ও জীবন যাপন নিয়ে নেটিজেনদের অনেকেই গর্ভ করে লিখেছেন, এই হলো আমাদের প্রধানমন্ত্রী’।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com