মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

যমুনার তীব্র ভাঙন, দিশাহারা নদীপাড়ের হাজারো মানুষ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে
যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন। ইতিমধ্যেই সরিষাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনার পূর্বপাড়ে শুরু হয়েছে তীব্র নদীভাঙন। গত দুই সপ্তাহের ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে শতাধিক বসতবাড়ি, মসজিদ, মাদরাসা, একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি।

ভাঙনকবলিতদের অভিযোগ, বছরের পর বছর প্রতিশ্রুতি দিলেও নদীভাঙন রোধে কার্যকর কোনো প্রদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

তবে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প তৈরি করে দেওয়া হয়েছে, অনুমোদন হলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এদিকে ভাঙনকবলিত এলাকায় স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নিতে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার চরগিরিশ ইউনিয়নের নৌকাঘাটে যমুনার তীরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করে এলাকাবাসী।

মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুততম সময়ে চরের ছয় ইউনিয়ন নিয়ে ‘যমুনা’ নামে পৃথক উপজেলা গঠনের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা যমুনার ভাঙনে দিশাহারা চরবাসীকে রক্ষায় স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

 

ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মনির মিয়া বলেন, ‘কয়েক দিনের ভাঙনে আমার ৩০ বিঘা জমির ধান ভেসে গেছে। গত এক মাসে দুইবার ঘর সরাতে হয়েছে।’

নাটুয়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের অভিযোগ করেন, ‘উজানে প্রতিদিন তিন থেকে চার শতাধিক বালুবাহী ড্রেজার চলছে। এর ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে এই এলাকায় ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে।

আমরা এর প্রতিকার চাই।’ তিনি আরো্ জানান, গত মাসেই প্রায় দুই শতাধিক ঘরবাড়ি, বাজার, মসজিদ ও কয়েক শ একর আবাদি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। 

বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কাজিপুর উপজেলা শাখার সেক্রেটারি ফারুক বিএসসি বলেন, ‘নদীর পশ্চিম তীরে বাঁধ নির্মাণে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও পূর্বতীর রক্ষায় কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আমরা দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি।’

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাইমা জাহান সুমাইয়া বলেন, ‘আমি মাত্র দুই দিন হলো দায়িত্ব নিয়েছি।

বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি। নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। শিগগিরই বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান চালানো হবে।’ 

এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী হাফিজুর রহমান জানান, ভাঙন এলাকাটি বিস্তীর্ণ। ইতিমধ্যে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com