ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও পরিবহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্তে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমানো হয়েছে। এখন এ সিলিন্ডার বিক্রি হবে ১ হাজার ৩৪১ টাকায়, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হয়েছে। বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এলপিজির উৎপাদন পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) প্রত্যাহার করে আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপ করায় দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশনের আদেশ অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পর্যায়ে ভোক্তা মূল্যে মূসকসহ প্রতি কেজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১১ টাকা ৭৯ পয়সা। সে হিসাবে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম দাঁড়ায় ১ হাজার ৩৪১ টাকা। আর রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরবরাহকৃত এলপিজির দাম মূসকসহ প্রতি কেজি ১০৮ টাকা ৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ৬১ টাকা ৮৬ পয়সা। বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারি কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেড সরবরাহকৃত ১২ দশমিক ৫০ কেজি সিলিন্ডারের ভোক্তা পর্যায়ের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এ সিলিন্ডার আগের মতোই ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সায় বিক্রি হবে। কমিশন জানিয়েছে, নির্ধারিত দামের বেশি কোনো পর্যায়েই এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না। ডিস্ট্রিবিউটরদের মূসক চালান বা ডেলিভারি অর্ডার প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।