জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ
ঢাকা অফিস
আপডেট:
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
২৬
বার পড়া হয়েছে
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে বাংলাদেশ একটি জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে রয়েছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রস্তাবিত সংসদ নির্বাচন ও সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করার উদ্যোগ চলছে [১, ২, ৩]।
জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের মূল দিকসমূহ:
সাংবিধানিক সংস্কার ও জুলাই চার্টার: ২৪টি রাজনৈতিক দলের সমর্থনে ‘জুলাই চার্টার’ অনুযায়ী সাংবিধানিক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার সীমা এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করবে [১, ৫]।
নির্বাচন প্রস্তুতি: ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচনের লক্ষ্যে কাজ চলছে, যেখানে ১২৭ মিলিয়নেরও বেশি ভোটার অংশ নেবেন [৩]।
কাঠামোগত পরিবর্তন: বিদ্যমান সরকার কাঠামোয় সংস্কারের অংশ হিসেবে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রস্তাব রয়েছে [৭]।
চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা: দীর্ঘদিনের কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা এই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ [২, ৬]।
ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুদ্ধারের এই সুযোগ কাজে লাগাতে রাজনৈতিক দলগুলো ও সুশীল সমাজ কাজ করছে [৬, ৭]।