নতুন তথ্য মোকাবেলায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী (BAF) এবং **চীনের এক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি বড় ড্রোন (মনুষ্যবিহীন আকাশযান/Unmanned Aerial Vehicle – UAV) সম্পর্কিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে — এবং এই চুক্তির মূল বিষয় হলো দেশে ড্রোন নির্মাণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তর।
✈️ চুক্তির মূল বিষয়
-
সরকার থেকে সরকার (G2G) ভিত্তিতে চুক্তি:
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও China Electronics Technology Group Corporation (CETC) International-র মধ্যে এই G2G চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিতে ড্রোন নির্মাণ ও অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট বাংলাদেশে স্থাপনের এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের ধারা অন্তর্ভুক্ত। -
কোথায় স্বাক্ষরিত:
চুক্তিটি ঢাকা সেনানিবাসের বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে সমাপনী হয়েছে, যেখানে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন। -
প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধি:
চুক্তির আওতায় শুধু প্ল্যান্ট স্থাপন নয়, টেকনোলজি ট্রান্সফার, ক্ষমতা উন্নয়ন, শিল্প দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা–এসব বিষয় যুক্ত রয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ নিজেই ড্রোন তৈরি ও অ্যাসেম্বল করতে পারবে। -
ড্রোনের প্রকৃতি ও ব্যবহার:
প্রাথমিকভাবে Medium Altitude Low Endurance (MALE) এবং Vertical Take-off and Landing (VTOL) ধরনের ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা হবে। এসব ড্রোন সামরিক কাজে ছাড়াও মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহার করা হবে।
প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব
-
এই চুক্তি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে একটি বড় ধাপ, কারণ দেশের বাইরে থেকে ড্রোন কিনে আনতে না গিয়ে নিজস্ব উৎপাদন শুরু করা হচ্ছে।
-
প্রযুক্তি হস্তান্তর পেলে ভবিষ্যতে দেশ বিশেষায়িত ড্রোন তৈরি ও রপ্তানি-র মতো ক্ষেত্রে উন্নতি করতে পারবে।
সামরিক-রক্ষামন্ত্রী প্রভাব
চুক্তিটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং প্রতিরক্ষা খাতে প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা অর্জনে সহায়ক হবে।
সংক্ষেপে:
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এবং চীনের CETC International একটি সরকারি-সরকার চুক্তির আওতায় দেশে ড্রোন নির্মাণ কারখানা স্থাপন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে, যা সামরিক ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ধারণক্ষমতা উন্নত করবে।
আপনি চাইলে এই চুক্তির রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা-নৈতিক দিক নিয়ে বিশ্লেষণও পেতে পারেন — সেটা কি লাগবে?








