মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট, উচ্চকক্ষে পিআরের ভাবনা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫ বার পড়া হয়েছে
রাষ্ট্র সংস্কারে প্রণীত ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক সংকট সমাধানে দলগুলোকে এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দেওয়া হলেও সমাধানের পথও খুঁজছে সরকার। চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে একাধিক বিকল্প বিবেচনায় রেখেছে সরকার। এ ক্ষেত্রে বিএনপির দাবি অনুযায়ী একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট এবং জামায়াত ও এনসিপির দাবি অনুযায়ী ভোটের সংখ্যানুপাতে (পিআর পদ্ধতি) সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে সরকারের আলোচনাও হয়েছে।

তবে দলগুলো এখনো তাদের নিজ নিজ  অবস্থানে অনড় রয়েছে। ফলে পরিস্থিতি আরো জটিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে গত সোমবার অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতার আহবান জানানো হয়। বিশেষ করে গণভোট কখন হবে, গণভোটের বিষয়বস্তু কী হবে, জুলাই সনদে বর্ণিত ভিন্নমতগুলো প্রসঙ্গে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবগুলোর আলোকে ‘জরুরি ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ গ্রহণের জন্য বলা হয়।

এ জন্য দলগুলোকে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে সরকার। এ নিয়ে গত পাঁচ দিন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা হলেও সমাধানের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। উল্টো এই ইস্যুতে রাজপথে শক্তি প্রদর্শনের কর্মসূচি জনমনে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিয়েছে। এ অবস্থায় সরকার রাজনৈতিক এই সংকট নিরসনে দলগুলোর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকলেও সমাধানের পথ নিয়ে আলোচনাও অব্যাহত রেখেছে।
 

জানা গেছে, রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে সরকার এ মুহূর্তে প্রধান তিন দল বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মতামতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, কোনো একটি পক্ষকে এককভাবে সন্তুষ্ট করতে গেলে অন্য পক্ষে অসন্তোষ বাড়বে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে। এ বাস্তবতায় সরকার এমন এক সমাধানের পথ খুঁজছে, যাতে তিন দলের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় থাকে। এর জন্য একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের চিন্তা করা হচ্ছে। এতে বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো সন্তুষ্ট হবে।

অন্যদিকে উচ্চকক্ষে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব করা হবে। এতে জামায়াত ও এনসিপির প্রধান দাবি পূরণ হবে। এভাবে তিন পক্ষেরই প্রধান দাবি মেটানো সম্ভব হলে একটি সমঝোতা হতে পারে। অবশ্য সংস্কার প্রস্তাবে থাকা ‘নোট অব ডিসেন্ট’-এর কী হবে, সেটি নিয়ে বড় একটি প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 

রাষ্ট্র সংস্কারে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। ঐকমত্য কমিশন ৩০টি দল ও জোটের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা ও বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সংস্কারের ৮৪টি প্রস্তাব নিয়ে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ তৈরি করে। জুলাই সনদে ইতিমধ্যে ২৫টি দল ও জোট স্বাক্ষর করলেও এনসিপি ও চারটি বাম দল এখনো স্বাক্ষর করেনি। জুলাই সনদ প্রণয়নকালে সমঝোতার স্বার্থে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (আপত্তি ও ভিন্নমত) গ্রহণ করা হলেও গত ২৮ অক্টোবর সরকারের কাছে হস্তান্তর করা জুলাই সনদে সেই ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রাখা হয়নি। জামায়াত ও এনসিপি ‘নোট অব ডিসেন্ট’ না রাখার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে বিএনপিসহ বেশির ভাগ দল ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বহাল রাখার পক্ষে। এ ছাড়া জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দ্রুত সাংবিধানিক আদেশ জারি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবি জামায়াত ও এনসিপির। কিন্তু সেই দাবি মানতে রাজি নয় বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো।

বিএনপি শুরু থেকেই বলছে, বর্তমান বাস্তবতায় জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের সুযোগ নেই। আবার জাতীয় নির্বাচন পেছালে দেশে সংকট আরো বাড়বে। আর আলাদাভাবে গণভোটের আয়োজনও ব্যয়বহুল। এ জন্য তারা একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে। বিএনপি উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করছে। তাদের মতে, এতে দেশে ঐক্যের পরিবর্তে বিভক্তিমূলক সমাজ এবং অস্থিতিশীল সরকার সৃষ্টির কারণ হয়ে উঠতে পারে। এ জন্য সংস্কার সংলাপে সিদ্ধান্ত গ্রহণকালে ওই প্রস্তাবের ওপর ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছে দলটি। সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত ৯টি প্রস্তাবে তাদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে। সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনে পিআর বিষয়টি চাপিয়ে দেওয়া হলে রাজনৈতিকভাবে তা মোকাবেলার সিদ্ধান্তও জানিয়েছে বিএনপি। তবে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতির দাবিতে অনড় রয়েছে। সংলাপ চলাকালে সম্মত হলেও এখন জুলাই সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ মানতে রাজি নয় তারা।

এই অবস্থায় সরকারের রাজনৈতিক সমঝোতার প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হলেও দলের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগের কথা জানানো হয়নি। এনসিপি, গণ অধিকার পরিষদ, এবি পার্টি এবং গণতন্ত্র মঞ্চভুক্ত ছয়টি দলের পক্ষ থেকে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি ‘সমঝোতামূলক রূপরেখা’ তৈরি করতে দুই সদস্যের কমিটি গঠনের পাশাপাশি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে গতকাল শুক্রবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ বিষয়ে দলের স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ে আলোচনা হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত খুব পরিষ্কার করে গণমাধ্যমকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওটাই আমাদের বক্তব্য।’

স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর বিএনপি মহাসচিব স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপি দৃঢ়ভাবে মনে করে দীর্ঘ আলোচনায় উপনীত ঐকমত্যকে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ থাকবে এবং কোনোমতেই নিত্য-নতুন প্রশ্ন উত্থাপন কিংবা সংকট সৃষ্টি করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আয়োজিতব্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাধা সৃষ্টি করবে না। বিএনপি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জুলাই জাতীয় সনদের যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে তার আইনানুগ বাস্তবায়নের জন্য এবং যথাসময়ে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আন্তরিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানাচ্ছে।

এদিকে জুলাই সনদ প্রণয়নের অন্যতম দাবিদার এনসিপি রাজনৈতিক সমঝোতার প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে নিলেও সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে দলটি।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে ইউনিভার্সিটি টিচার্স ফোরামের (ইউটিএফ) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদের আদেশ প্রধান উপদেষ্টাকেই দিতে হবে। সনদে কোনো ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রাখার সুযোগ নেই। আশা করব, দ্রুত সময়ের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেই আমরা নির্বাচনের দিকে যাব।’

এদিকে সমঝোতার জন্য সরকারের দেওয়া সময়সীমা আগামীকাল রবিবার শেষ হবে। এই অবস্থায় আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সাংবিধানিক আদেশ ও গণভোটের বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত না জানালে ১১ নভেম্বর ‘ঢাকা চলো’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতসহ আটটি ইসলামী দল।

গত বৃহস্পতিবার তারা পাঁচ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছে। যা নিয়ে রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সংকট নিরসনে সমঝোতার উদ্যোগ নিলেও বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আশার আলো দেখছেন না গণতন্ত্র মঞ্চসহ ৯ দলের নেতৃবৃন্দ। তাঁরা বিদ্যমান বাস্তবতায় সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা দলগুলোকে সমঝোতায় বাসানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু অগ্রগতির সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। কারণ রাজপথে কর্মসূচি চলছে। দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১১ নভেম্বর ঢাকা অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তার মানে রাজনৈতিক বিষয়টি রাজনীতির মধ্যে থাকছে না। এটা মাঠে বলপ্রয়োগ ও শক্তি প্রদর্শনের বিষয় হয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। রাজনৈতিক সংকটকে রাজনৈতিকভাবে সমাধান না করে, রাজপথ দখলের কর্মসূচি দিয়ে সার্বিক পরিস্থিতিকে জটিল করে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে জনগণের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।’

বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশের স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের স্বার্থে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর জরুরি। অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অংশ নির্বাচন বিলম্বিত করতে চায় বলে মনে হচ্ছে। যে কারণে জুলাই সনদ নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। চলমান সংকট নিরসনে যেসব সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য হয়েছে তা বাস্তবায়ন ও দ্রুত নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আহবান জানাই।

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলো সিদ্ধান্ত না নিলে অন্তর্বর্তী  সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক অনেক মিটিং হচ্ছে। তবে আমরা আশা করব পলিটিক্যাল পার্টিগুলো আলাপ আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্তে আসবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গোটা জাতি এখন নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে। নির্বাচনের স্টেজ তৈরি হয়েছে। জাতি যেন খুব দ্রুত নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারে, সে ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলো সিদ্ধান্ত নেবে।’

সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আইন মন্ত্রণালয় ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ প্রণয়নে কাজ শুরু করেছে। আগামী সপ্তাহে এই কাজ সম্পন্ন হতে পারে। গত বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে ‘আন অফিশিয়ালি’ কিছু সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে, যা আগামী সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ ও এর বাস্তবায়ন সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তরের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সরকারের বিরুদ্ধে প্রতারণার ও দুটি বিশেষ দলের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তোলে বিএনপি। অন্যদিকে সনদ বাস্তবায়নে নভেম্বর মাসেই গণভোট দাবি করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জামায়াতসহ আটটি ইসলামী দল। এনসিপি সরকারের বিরুদ্ধে সময় নষ্টের অভিযোগ তুলেছে। আর জাতীয় নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে জুলাই সনদ নিয়ে সরকার পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে বলে অভিযোগ করেছে বামপন্থী দলগুলো।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com