মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

প্রাথমিকে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক পদ পুনর্বহাল দাবি

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সংগীত’ ও ‘শারীরিক শিক্ষা’ বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদ পুনর্বহালের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও নৃত্যকলা বিভাগ।

বিক্ষোভে সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী হুমায়রা উপন্যাস বলেন, “সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা একটা শিশুকে মানুষ করে তুলে। আপনি পৃথিবীর সব দেশে দেখবেন সংগীত শেখানো হয়। কেননা সংগীত মানুষকে অপরাধ থেকে দূরে রাখে।

“তাহলে আজকে কেন আমাদের এখানে দাঁড়াতে হবে? এটা শুধু সংগীত বিভাগের জন্য লজ্জা না, পুরো দেশের জন্য লজ্জা। আমাদের কেন সংগীত রক্ষায় দাঁড়াতে হবে?”

থিয়েটার ও পারফরম্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ইসরাফিল শাহীন বলেন, “বর্তমানে রাষ্ট্রব্যবস্থায় যারা আছেন, অনেকে শিক্ষক। আমাদের শিক্ষা উপদেষ্টা তিনিও একজন সংবেদনশীল মানুষ। তাও তার এ নির্দেশ কীভাবে হলো?”

আরও দেখুন
স্টক মার্কেট ট্রেডিং কোর্স
মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট প্ল্যাটফর্ম
সংবাদপত্রের সাবস্ক্রিপশন
ই-বুক রিডার
ঢাকায়
শিশু শিক্ষার উপকরণ
ফুটবল বিশ্বকাপ মার্চেন্ডাইজ
স্থানীয় পণ্য প্রচার
ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পণ্য
ক্রীড়া সরঞ্জাম

তিনি বলেন, “গণ অভ্যুত্থানের পর এ দেশ স্থির ও সুনির্দিষ্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা চায়। তাই হুকুম যখন দিয়েছেন, হুকুমটা বাতিল করেন। ধর্ম দিয়ে রাষ্ট্র চলে না। সেখানে সংগীতও প্রয়োজন।”

ডাকসুর সদস্য হেমা চাকমা বলেন, “নির্দিষ্ট একটা গোষ্ঠীর চাপের কারণে আজ সংগীত চর্চা বাতিল করা হয়েছে।”

সংগীত বিভাগের শিক্ষক আজিজুর রহমান তুহিন বলেন, “সভ্যতা বেচে আছে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উপর ভর করে। এটা আগামীর প্রজন্মের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করবে।

“আমরা সরকারের নিকট আহ্বান জানাই, অনতিবিলম্বে প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা পদ পুনর্বহাল করুন।”

সমাবেশে সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও দেখুন
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
টেক গ্যাজেট
ই-বুক রিডার
সংবাদপত্র ডিজিটাল সংস্করণ
সাংবাদিকতা কোর্স
ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পণ্য
ভিডিও তৈরি সরঞ্জাম
ব্রেকিং নিউজ সতর্কতা
ডিজিটাল বিজ্ঞাপন পরিষেবা
ঢাকা

গত ২৮ অগাস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন নিয়োগ বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি হয়। নতুন বিধিমালায় সংগীত ও শরীরচর্চা বিষয়ের সহকারী শিক্ষকের দুটি পদ নতুন করে সৃষ্টি করা হয়েছিল। কিন্তু এরপর থেকে ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলো সংগীত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদটি সৃষ্টি নিয়ে সমালোচনা শুরু করে।

প্রাথমিক স্তরে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পদক্ষেপকে ‘ইসলামবিরোধী এজেন্ডা’ আখ্যা দিয়ে এ সংক্রান্ত বিধিমালা বাতিলের দাবি জানায় হেফাজতে ইসলাম। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নেতারাও সংগীত শিক্ষক পদ সৃষ্টির কঠোর সমালোচনা করেন।

এই প্রেক্ষাপটে রোববার সংগীত শিক্ষক ও শরীরচর্চা শিক্ষকের পদ বাতিল করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর বিবৃতি দিয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তের একটি ব্যাখ্যা দেয়।

সেখানে বলা হয়, “দেশে প্রায় আড়াই হাজার ক্লাস্টারে সমসংখ্যক সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক নিয়োগের প্রাথমিক পরিকল্পনা সচিব কমিটির সুপারিশে বাতিল করা হয়েছে, কারণ সীমিত সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের ফলে কার্যকর সুফল পাওয়া যাবে না এবং এতে বৈষম্য সৃষ্টি হতে পারে।

“বর্তমানে দেশে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, যার মধ্যে এই নিয়োগ কাঠামো বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এ ছাড়া পরে অর্থের সংস্থান সাপেক্ষে সব স্কুলে এ রকম নতুন বিষয়ের শিক্ষকের পদ সৃষ্টি এবং সেসব পদে নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। ”

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com