মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এমন বিধান রেখে গুম প্রতিরোধ প্রতিকার অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বৈঠকে ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত তুলে ধরেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

প্রেস সচিব বলেন, ‘গুম প্রতিরোধ এবং প্রতিকারের জন্য একটা আইন নিয়ে অনেক দিন যথেষ্ট ডিবেট হয়েছে। হওয়ার পর আজকে (গতকাল) এটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই অধ্যাদেশে গুমকে সংজ্ঞায়নের পাশাপাশি চলমান অপরাধ, কন্টিনিউ অফেন্স হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’

আরও দেখুন
আজকের পত্রিকা
আবহাওয়ার পূর্বাভাস সেবা
খেলাধুলার খবর
অনলাইন সাংবাদিকতা কোর্স
ফটোগ্রাফি সরঞ্জাম
বাংলা সংবাদপত্র
চাকরির খবর
পত্রিকা
বাণিজ্য সংবাদ

তিনি আরও বলেন, গোপন আটক কেন্দ্র স্থাপন আয়নাঘর নামে পরিচিত স্থাপন ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। স্থাপন এবং এটা ব্যবহার শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গুম-সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত কমিশনকে গুম-সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

এই অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ প্রতিকারের লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী-সাক্ষীর অধিকার সুরক্ষা ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চয়তা প্রদান-সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার সময় দেশে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে গুম হয়েছে। গুম প্রতিরোধ কমিশনে এ-সংক্রান্ত প্রায় দুই হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। গুম কমিশনে যারা সদস্য রয়েছেন, তারা বলেছেন এর সংখ্যা চার হাজারের ওপরে হবে। দেশে শত শত আয়নাঘর ছিল। সেখানে গুমের শিকারদের রাখা হতো। অনেকে সেখান থেকে ফিরে এসেছেন। অনেকে এখনো ফিরে আসেননি। বিএনপির অনেক কর্মী ফিরে আসেননি।

এদিকে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, মানবাধিকার কমিশনই গুম কমিশনের দায়িত্ব পালন করবে এমন বিধান রেখে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ চূড়ান্ত করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। গতকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে বিকেলে একই স্থানে প্রেস ব্রিফিংয়ে হাজির হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

আরও দেখুন
সংবাদপত্র
ইসলামি বই ও পণ্য
অনলাইন সাংবাদিকতা কোর্স
জাতীয় খবর
ফটোগ্রাফি সরঞ্জাম
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন পণ্য
তথ্যপ্রযুক্তি গ্যাজেট
পত্রিকা
অনলাইন শিক্ষা কোর্স
পরিবেশ দূষণ রোধ পণ্য

আইন উপদেষ্টা বলেন, মানবাধিকারের সংজ্ঞা সম্প্রসারিত করা হয়েছে। এর ফলে সংবিধানে যে মৌলিক অধিকার আছে, এর বাইরেও বাংলাদেশ যেসব আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি অনুসমর্থন করেছে বা পক্ষভুক্ত হয়েছে, এমনকি আন্তর্জাতিক আইনে মানবাধিকারের যেসব ধারণা আছে, সেগুলো বলবৎ করার ক্ষেত্রেও মানবাধিকার কমিশন ভূমিকা রাখতে পারবে।

আসিফ নজরুল বলেন, আগে মানবাধিকার কমিশন দুর্বল ছিল; নিয়োগ পদ্ধতিতে ত্রুটি এবং এখতিয়ারে মারাত্মক ঘাটতি ছিল। নতুন অধ্যাদেশের লক্ষ্য হলো কমিশনকে সত্যিকারের ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা, যাতে এটি মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

মানবাধিকার কমিশনের কাঠামো সম্পর্কে আইন উপদেষ্টা বলেন, একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সার্বক্ষণিক সদস্য (মোট পাঁচজন) নিয়ে কমিশন গঠিত হবে। চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের নিয়োগের জন্য আপিল বিভাগের একজন বিচারকের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে, যারা সাক্ষাৎকার ও গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com