যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নারীদের উত্থান মূলত ভোটাধিকার অর্জন থেকে শুরু করে বর্তমানে উচ্চপদস্থ সরকারি পদে তাঁদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ পর্যন্ত বিস্তৃত। ১৯২০ সালে ১৯তম সংশোধনীর মাধ্যমে নারীরা জাতীয়ভাবে ভোটাধিকার লাভ করে, যা তাঁদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ভিত্তি তৈরি করে। পরবর্তীকালে নারী অধিকার আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের রাজনৈতিক শক্তিকে সংগঠিত করতে সক্ষম হন এবং বিভিন্ন রাজ্যের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়েও নির্বাচিত হতে শুরু করেন।
শেরিল নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসে প্রথম নারী ডেমোক্র্যাট গভর্নর নির্বাচিত হন। তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী জ্যাক সিয়াতারেল্লিকে পরাজিত করেন।
স্প্যানবার্গার সাবেক ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য। তিনি সিআইএর সাবেক কর্মকর্তা। স্প্যানবার্গারও হয়েছেন ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের প্রথম নারী গভর্নর। রিপাবলিকান লেফটেন্যান্ট গভর্নর উইনসাম আর্ল-সিয়ার্সকে পরাজিত করছেন স্প্যানবার্গার।
বিশ্লেষকদের মতে, সমান অধিকার সংশোধনীর প্রচারণার মতো নারী অধিকার আন্দোলনগুলো লাখ লাখ নারীকে তাদের সম্প্রদায়ের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িত হতে উৎসাহিত করেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, নারীরা রাজ্য ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন নির্বাচিত পদে, যেমন কংগ্রেসে, তাদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করছে। বর্তমানে নারীরা শুধু আইন প্রণেতা হিসেবেই নয়, বরং উচ্চ নির্বাহী পদেও নির্বাচিত হচ্ছেন, যা তাঁদের রাজনৈতিক উত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
১৭৭৬ থেকে ২০২৫। দেখতে দেখতে পার হয়েছে প্রায় ২৫১ বছর। তবে এই সময়ের মধ্যে এখন পর্যন্ত কোনো নারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। গত বছরের ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যদি ডেমোক্রেটিক প্রার্থী কমলা হ্যারিস জিততেন, তবে ইতিহাস গড়তেন তিনি। পরিসংখ্যান বলছে, বিভিন্ন সময়ে মোট ২৪ জন নারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করেছেন। সূত্র : পলিটিকো