মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

বাংলাদেশ থেকে চলে যাওয়া পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা আতঙ্কে

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হিন্দুরাই পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে। সম্প্রতি এই প্রক্রিয়া ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে আত্মহত্যা ও আত্মহত্যা চেষ্টাসংক্রান্ত একাধিক ঘটনাকে অনেকেই ‘এসআইআর আতঙ্কের’ ফল বলে মনে করছেন। এ খবর দিয়ে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, বিভিন্ন এলাকার বহু নাগরিকের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, ২০০২ সালের পর যেসব হিন্দু বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বসবাস শুরু করেছেন, তাঁরাই সবচেয়ে উদ্বিগ্ন। ২০০২ সালকে রেফারেন্স বছর ধরে করা হচ্ছে এই এসআইআর।

তাই এর পর যাঁরা এসেছেন, তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় রাখতে হলে নির্দিষ্ট নথিপত্র দেখাতে হবে। কোন্নগরের নবপল্লির এক ৬৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী বলেন, তিনি ২০০২ সালে স্ত্রী ও দুই ছোট সন্তানকে নিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যান। গত ২৩ বছরে তাঁরা ভোটার কার্ড, আধার, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং জমির দলিলসহ সব ধরনের নথি সংগ্রহ করেছেন। মেয়ে বিবাহিত, ছেলে বিদেশে কর্মরত।
তবু তাঁর কথায়, আমাদের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই। তাই এখন রাতের ঘুম উড়ে গেছে। নেতারা নানা রকম কথা বলছেন। কেউ বলছেন সিএএ আছে, কেউ বলছেন নেই।
এখন যদি স্কুলের সার্টিফিকেট বা জন্মনিবন্ধন চাওয়া হয়, আমরা কোথায় পাব? বাংলাদেশে তো এসব কাগজ এখন আর নেই। 

এসআইআরের নিয়ম অনুযায়ী, যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই, তাঁদের নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট তালিকায় উল্লিখিত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। কোন্নগরের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা ২০০৩ সালে বাংলাদেশ থেকে এসেছি। ২০০৮ সালে ভোটার কার্ড পেয়েছি। এখন এত অল্প সময়ে কিভাবে ওই সব প্রমাণপত্র জোগাড় করব? বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বহু হিন্দু এখন রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে আছেন।

তাঁদের মধ্যে বড় অংশেরই আশঙ্কা, এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁদের নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যেতে পারে। বিজেপি নেতারা এই ভয় কাটানোর চেষ্টা করছেন।’ 

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বাংলাদেশি হিন্দুদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তাঁরা অনুপ্রবেশকারী নন, বরং প্রাণ বাঁচাতে ভারতে এসেছেন। যদি তাঁদের নাম ২০০২ সালের তালিকায় না থাকে, তাহলে তাঁরা সিএএর মাধ্যমে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিজেপি তাঁদের সাহায্য করবে। তবে অনেকেই এতে আশ্বস্ত নন। এই ভয়ের প্রভাব পড়েছে পুরো মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে। শিডিউলড কাস্ট ফেডারেশনের জাতীয় সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় মল্লিক বলেন, বিজেপি বলছে, মতুয়ারা হিন্দু বলে তাদের কিছু হবে না। কিন্তু এসআইআর শুরু হলে কেউই যাচাই প্রক্রিয়া থেকে বাঁচবে না।

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com