এসআইআরের নিয়ম অনুযায়ী, যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই, তাঁদের নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট তালিকায় উল্লিখিত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। কোন্নগরের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা ২০০৩ সালে বাংলাদেশ থেকে এসেছি। ২০০৮ সালে ভোটার কার্ড পেয়েছি। এখন এত অল্প সময়ে কিভাবে ওই সব প্রমাণপত্র জোগাড় করব? বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বহু হিন্দু এখন রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে আছেন।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বাংলাদেশি হিন্দুদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তাঁরা অনুপ্রবেশকারী নন, বরং প্রাণ বাঁচাতে ভারতে এসেছেন। যদি তাঁদের নাম ২০০২ সালের তালিকায় না থাকে, তাহলে তাঁরা সিএএর মাধ্যমে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিজেপি তাঁদের সাহায্য করবে। তবে অনেকেই এতে আশ্বস্ত নন। এই ভয়ের প্রভাব পড়েছে পুরো মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে। শিডিউলড কাস্ট ফেডারেশনের জাতীয় সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় মল্লিক বলেন, বিজেপি বলছে, মতুয়ারা হিন্দু বলে তাদের কিছু হবে না। কিন্তু এসআইআর শুরু হলে কেউই যাচাই প্রক্রিয়া থেকে বাঁচবে না।