মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

মুনাফা অর্জনে কেরু চিনিকল

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭ বার পড়া হয়েছে
  • ডিস্টিলারি বিভাগে উৎপাদিত পণ্যের বাজারমূল্য ১৯০ কোটি ২৬ লাখ ৭৭ হাজার টাকা
  • সরকারকে রাজস্ব ও ভ্যাট বাবদ দেওয়া হয়েছে ১৪০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা

দেশের বেশির ভাগ চিনিকল যখন টিকে থাকার লড়াইয়ে হিমশিম খাচ্ছে, তখন চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় অবস্থিত দেশের ঐতিহ্যবাহী কেরু অ্যান্ড কম্পানি চিনিকল মুনাফা অর্জনের ইতিহাস রচনা করেছে। প্রতিষ্ঠার ৮৮ বছর পর প্রথমবারের মতো রেকর্ড মুনাফা গড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এবারও লাভের বড় একটি অংশ এসেছে ডিস্টিলারি বা মদ উৎপাদন বিভাগ থেকে। তবে চিনি বিভাগ এখনো লোকসানে ডুবে থাকায় সেটিই বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সব মিলিয়ে সরকারকে রাজস্ব ও ভ্যাট বাবদ প্রদান করা হয়েছে ১৪০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া লোকসানে ডুবে থাকা চিনি কারখানার ৬২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ করেও কেরু ১২৯ কোটি ৪৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকার মোট মুনাফা করেছে, যা প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বোচ্চ। এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মুনাফা ছিল ১১২ কোটি সাত লাখ ৯১ হাজার টাকা।

অন্যদিকে ডিস্টিলারি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৯ ধরনের দেশীয় মদ তৈরি হয় কেরুর এই বিভাগে। ইয়েলো লেবেল হুইস্কি, গোল্ড রিবন জিন, ফাইন ব্র্যান্ডি, চেরি ব্র্যান্ডি, ইম্পেরিয়াল হুইস্কি, অরেঞ্জ কুরাকাও, জারিনা ভদকা, রোসা রাম ও ওল্ড রাম। চলতি অর্থবছরের জুন পর্যন্ত স্পিরিট উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০ লাখ প্রুফ লিটারে, যা পূর্বের বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

মহাব্যবস্থাপক (ডিস্টিলারি বিভাগ) রাজিবুল হাসান বলেন, অটোমেশন ও আধুনিক বোতলজাতকরণের কারণে কেরু অ্যালকোহলের উৎপাদন এবং বিক্রি বেড়েছে। তাই মুনাফাও রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

কেরু অ্যান্ড কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর এবারই প্রথম কেরু ১২৯ কোটির বেশি মুনাফা অর্জন করেছে। আখের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে, উন্নতমানের বীজ ও সার সরবরাহ এবং কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আখ চাষিদের আগ্রহী করে তোলা হয়েছে। যার ফলে চাষি ও কেরু উভয়ই লাভবান হয়েছে। কেরুর জৈব সার ব্যবহারে কৃষকরা ইতিবাচক ফল পাচ্ছেন এবং এটি সারা দেশে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কম্পানির অন্যান্য পণ্য যেমন ভিনেগার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, জৈব সার এবং স্পিরিট বিক্রিতেও প্রবৃদ্ধি এসেছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যখন দেশের অন্য চিনিকলগুলো মিলিয়ে প্রায় ৬০০ কোটি টাকারও বেশি লোকসানে রয়েছে, সেখানে কেরুই একমাত্র লাভজনক প্রতিষ্ঠান।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com