গতকাল শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে তারেক রহমান এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এই সংকটময় সময়ে যাঁরা সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিস, সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সদস্যদের আমি আন্তরিক সাধুবাদ জানাই।
গতকাল শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে তারেক রহমান এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এই সংকটময় সময়ে যাঁরা সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিস, সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সদস্যদের আমি আন্তরিক সাধুবাদ জানাই।
তারেক রহমান বলেন, ‘সম্মানিত শিক্ষকদের সমাবেশে অনেকের বক্তব্যে তাঁদের চাকরি জাতীয়করণ প্রসঙ্গ এসেছে।কেউ কেউ মনে হয় আরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার কথা বলেছেন। এ ছাড়া আপনাদের এই সংগঠনের বাইরেও বেসরকারি শিক্ষকদের বেশ কিছু দাবি রয়েছে। দেশের একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে নীতিগতভাবে অবশ্যই একমত।’
তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের কোনো রোগীকে আর হাসপাতালের বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হবে না।রোগীরা বেডে থেকেই সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা পাবে। গ্রামের প্রতিটি পরিবারের মাকে একটি চিকিৎসা কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে পরিবারের শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই সেবা পাবে।’গতকাল বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়িতে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি ও তারেক রহমানের স্ত্রী প্রখ্যাত কার্ডিওলজিস্ট ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জুবাইদা রহমানের পরামর্শে এই স্পেশাল ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘এই ফাউন্ডেশনের প্রতিটি সদস্যের আত্মত্যাগ ও মানুষের জন্য পথচলা ইতিহাস হয়ে থাকবে। স্বল্প সামর্থ্যে বহু মানুষকে আকাশচুম্বী সফলতা দিয়েছে এই ফাউন্ডেশন।’বগুড়ার বাগবাড়িতে শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে স্পেশাল ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পে ঢাকা ও বগুড়া থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সাত-আট হাজার মানুষকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।