পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি : ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আগুনের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ১৫ কার্যদিবসে মধ্যে এই তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে। তখন আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যাবে।
শ্রমিকরা যেভাবে রক্ষা পেলেন : গত বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ও জিহং মেডিক্যাল কম্পানির গুদামে আগুন লাগে। অ্যাডামস তোয়ালে, ক্যাপ এবং জিহং মেডিক্যাল সার্জিক্যাল গাউন তৈরির কারখানা। দুটি কারখানার গুদামই সাততলায়। সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত। ওই সময় বিরতি থাকায় অনেকে নিচে নেমেছিলেন। এদিকে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে অ্যালার্ম বাজার শব্দ শুনে কারখানার নিচের ফ্লোরগুলোতে থাকা শ্রমিক-কর্মচারীরা দ্রুত নামতে শুরু করেন। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই সবাই নিরাপদে নিচে নেমে আসতে পেরেছেন। আগুন প্রথমে ওপরের তলায় লাগার কারণে শ্রমিকরা দ্রুত এবং নিরাপদে বের হতে পেরেছেন।
রোবটিক ইকুইপমেন্টের ব্যবহার : আগুনের ভয়াবহতায় ব্যবহার করা হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের রোবটিক ইকুইপমেন্টও। অতি দাহ্য পদার্থ থাকায় বেগ পেতে হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের। এক পর্যায়ে রোবটিক ইকুপমেন্ট যুক্ত করা হয় কারখানার আগুন নির্বাপণে।
নিয়ম না মেনেই চার ফ্লোরে পণ্য গুদামজাত : ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, নীতিমালা না মেনে ভবনটির চারটি ফ্লোরে পণ্য গুদামজাত করা হয়েছিল, যেসব পণ্য পুড়ে রাসায়নিকে পরিণত হয়। এ কারণে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রথম তিন তলা অ্যাডামস ক্যাপসের। পরের চারটি ফ্লোর ছিল স্টোর। স্টোরের যে প্রিন্সিপাল তা রক্ষা করা হয়নি। এখানকার প্রোডাক্টগুলো পুড়ে আরেকটি রাসায়নিক এজেন্টে পরিণত হয়েছে। সেখানে ডাক্তারদের অ্যাপ্রন, মেডিক্যাল গাউনসহ অনেক কিছু ছিল। এটি রাসায়নিক কারণে পুড়েছে অনেকক্ষণ ধরে।
সিইপিজেডের তদন্ত কমিটি : সিইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক আবদুস সোবহান জানান, বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ফায়ার কনসালট্যান্টের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন দেবে।