মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে মানুষের সন্দেহ ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছে

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২০ বার পড়া হয়েছে
বিবিসি বাংলাকে সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান

ভারত স্বৈরাচারকে আশ্রয় দিয়ে বিরাগভাজন হলে কিছু করার নেই

  • এক-এগারোর সরকার অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি সরকার
  • অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে মানুষের সন্দেহ ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছে
  • বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণ, দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘তারা (ভারত) যদি স্বৈরাচারকে সেখানে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, সেখানে তো আমাদের কিছু করার নেই। এটা বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তাদের সঙ্গে শীতল থাকবে। সো, আমাকে আমার দেশের মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে।’

বিবিসি বাংলার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে ভারত প্রসঙ্গে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

প্রায় দুই দশক পর প্রথম কোনো গণমাধ্যম হিসেবে বিবিসি বাংলার মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই সাক্ষাৎকার দেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক : সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তারেক রহমান বলেন, ‘বিষয়টি তো রাজনৈতিক।

এটি তো কোনো ব্যক্তির বিষয় নয়। আমরা প্রথম থেকে যে কথাটি বলেছি যে আমরা চাই এই অন্তর্বর্তী সরকার সফল হোক। অর্থাৎ অনেক কিছুর মতো বিভিন্ন বিষয় আছে যেমন—আমরা যদি মূল দুটি বিষয় বলি যে কিছু সংস্কারের বিষয় আছে, একই সঙ্গে প্রত্যাশিত সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বাধীন নির্বাচনের একটি বিষয় আছে।’

তিনি বলেন, ‘মূলত কিছু সংস্কারসহ যে সংস্কারগুলো না করলেই নয়, এ রকম সংস্কারসহ একটি স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু, স্বাধীন নির্বাচন অনুষ্ঠান করাই হচ্ছে বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। আমরা প্রত্যাশা করি যে উনারা উনাদের ওপর যেটা মূল দায়িত্ব, সেটি সঠিকভাবে সম্পাদন করবেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা রাখি, প্রত্যাশা করি যে উনারা সুন্দরভাবে করবেন কাজটি। স্বাভাবিকভাবে এই কাজটির সৌন্দর্য বা কতটুকু ভালো বা মন্দভাবে করতে পারছেন, তার ওপরই মনে হয় সম্পর্কের উষ্ণতা বা শীতলতা যেটাই বলেন, সেটা নির্ভর করবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। কয়েক মাস আগে করা এ মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়, আপনার মনে কি সেই সন্দেহ আছে?

তিনি বলেন, ‘দেখুন, আমি যখন এ কথা বলেছিলাম, এই মুহূর্তে আমার যতটুকু মনে পড়ে সেই সময় পর্যন্ত উনারা কিন্তু নির্বাচনের ব্যাপারে সঠিক কোনো টাইম ফ্রেম বা কোনো কিছু বলেননি। আমরা যখন দেখলাম যে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান ডক্টর ইউনূস উনি মোটামুটিভাবে একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করলেন এবং পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকবার উনি উনার যে সিদ্ধান্ত সেটির ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তার পর থেকেই খুব স্বাভাবিকভাবেই এই সন্দেহটি বহু মানুষের মন থেকে ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছে।’

এক-এগারোর সরকার নিয়ে মূল্যায়ন : এক-এগারোর সরকার বা সেনা সমর্থিত সরকারের সেই সময়টা নিয়ে রাজনীতিতে অনেক আলোচনা আছে। ওই সময়ের মূল্যায়ন সম্পর্কে জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, “এক বাক্যে বা সংক্ষেপে যদি বলতে হয়, এক-এগারোর সরকার তো অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি সরকার ছিল। আমরা দেখেছি যে কিভাবে তারা সবকিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে চেয়েছিল, বিরাজনৈতিকীকরণ করতে চেয়েছিল। দেশকে একটি অন্ধকার দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দেখেছি যে খুব সম্ভবত তাদেরই ভিন্ন আরেকটি রূপ; অন্যভাবে দেখেছি আমরা ‘ইন দি নেম অব ডেমোক্রেসি’।”

বিএনপির রাজনীতিতে পরিবর্তন হয়েছে কতটা : বিএনপির রাজনীতিতে কতটা পরিবর্তন হয়েছে? ভবিষ্যৎ বিএনপিই বা কেমন হবে?

এই প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণ, দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব। আমরা দুটি বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে খুবই গর্ব করি, অহংকার করি। একটি হচ্ছে বাংলাদেশের গার্মেন্টসশিল্প, আরেকটি হচ্ছে প্রবাসীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যে কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান—এই দুটিই কিন্তু বিএনপি শুরু করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বিএনপির সময় শুরু হয়েছিল প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়া, একই সঙ্গে গার্মেন্টসশিল্পের প্রসার। এর বাইরেও যদি আমরা দেখি, ১৯৭৪ সালে যে দুর্ভিক্ষটা হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন, আমরা দেখেছি কিভাবে ধীরে ধীরে দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি দেশকে খাদ্যে শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, অল্প পরিমাণ করে হলেও আমরা কিন্তু সেই সময় বিদেশে খাদ্য রপ্তানি, চাল রপ্তানি করেছিলাম।’

তারেক রহমান বলেন, ‘ইয়েস, আমরা অতীতে এই ভালো কাজগুলো করেছি। ভবিষ্যতে ইনশাআল্লাহ এ বিষয়গুলো কনসিডারেশন (বিবেচনায়) রেখেই আমরা সামনে এগিয়ে যাব।’

কূটনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির মূলনীতি কী হবে : বিএনপি সরকার গঠন করলে কূটনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির মূলনীতি কী হবে?

এ ব্যাপারে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপির মূলনীতি একটাই, সবার আগে বাংলাদেশ। কূটনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির নীতি সবার আগে বাংলাদেশ। আমার জনগণ, আমার দেশ, আমার সার্বভৌমত্ব। এটিকে অক্ষুণ্ন রেখে, এটির স্বার্থ বিবেচনা করে, এই স্বার্থকে অটুট রেখে বাকি সবকিছু।’

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অবস্থান : ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে আপনাদের নীতি কী হবে?

তারেক রহমান বলেন, ‘এখানে ওই দেশ বা অন্য দেশ তো বিষয় নয়। বিষয় তো হচ্ছে ভাই বাংলাদেশ আমার কাছে আমার স্বার্থ, আমি আগে আমার দেশের মানুষের স্বার্থ দেখব, আমার দেশের স্বার্থ দেখব। ওটাকে আমি রেখে আপহোল্ড করে আমি যা যা করতে পারব, আমি তা-ই করব।’

ভারতের কথা বিশেষভাবে আসছে। যেহেতু সেটি বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ এবং বাংলাদেশের তিন পাশেই এই দেশটির সীমান্ত রয়েছে। সে ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, এ নিয়ে আপনার চিন্তা কী?

তারেক রহমান বলেন, ‘অবশ্যই আমি আমার পানির হিস্যা চাই। অবশ্যই আমি দেখতে চাই না যে আরেক ফেলানী ঝুলে আছে। অবশ্যই আমরা এটা মেনে নেব না।’

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর এবং আপনিও জানেন যে শেখ হাসিনা দিল্লিতে গেছেন এবং সেখানে আছেন। ভারতের সঙ্গে একটা সম্পর্কের শীতলতা দেখা গেছে, এক বছর ধরে। আপনারা সরকারে এলে সেই ক্ষেত্রে কি কোনো পরিবর্তন হবে বা পরিবর্তনের ব্যাপারে উদ্যোগ নেবেন?

তারেক রহমান বলেন, ‘এখন তারা যদি স্বৈরাচারকে সেখানে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, সেখানে তো আমাদের কিছু করার নেই। এটা বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তাদের সঙ্গে শীতল থাকবে। সো, আমাকে আমার দেশের মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী, সংসদ ও দলীয় নেতৃত্বের প্রশ্নে যা বললেন : সংস্কারের প্রশ্নে এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা বা দলের প্রধান থাকতে পারবেন না—এমন প্রস্তাব এসেছে, যেখানে বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে। যদি এক ব্যক্তি তিন পদে একই সঙ্গে থাকেন, সেটা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরির সুযোগ দেয় কি না?

এ ব্যাপারে তারেক রহমান বলেন, ‘সবার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, এই যে বাংলাদেশে রাষ্ট্র মেরামতের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কার প্রয়োজন, একজন ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না, থাকবেন না। এ রকম আরো যে বিষয়গুলো আছে, এগুলো বাংলাদেশে যখন স্বৈরাচার ছিল, তাদের মুখের ওপরে, তাদের চোখের দিকে চোখ রেখে আমরা বিএনপিই বলেছিলাম।’

৩১ দফায় আপনারা সংস্কারের যেসব বিষয় এনেছেন, সেখানে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনার কথা বলেছেন। তাহলে এই বিষয়গুলোতে আপত্তি কেন?

এ ব্যাপারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা যেটাতে বলেছিলাম, আমরা সেখানে এখনো আছি। যতটুকু ভারসাম্য হওয়া উচিত, যে যে বিষয়ে যতটুকু বিবেচনা করা উচিত, আমরা সে বিষয়ের মধ্যে এখনো কমবেশি আছি। আমাদের অবস্থান তো আমরা পরিবর্তন করিনি।’

৩১ দফা না জুলাই সনদ, অগ্রাধিকার কোনটি : বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে বা সরকার গঠন করে, তখন ৩১ দফা না জুলাই সনদ, কোনটি অগ্রাধিকার পাবে?

তারেক রহমান বলেন, ‘অবশ্যই ৩১ দফা আমাদের রাজনৈতিক কমিটমেন্ট জনগণের প্রতি। আমরা তো আমাদের ৩১ দফার মধ্যে যেগুলো এটার সঙ্গে মিলে গেছে, সেগুলো তো আমরা করবই। এর বাইরে যেগুলো থাকবে ৩১ দফায় আছে, সেগুলোও বাস্তবায়ন করব।’

‘বিড়ালটি আমার মেয়ের’ : তারেক রহমানের কাছে বিভিন্ন প্রসঙ্গে প্রশ্ন রাখা হয়, রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের বাইরে আপনার পোষা বিড়ালের সঙ্গে আপনার নিয়মিত ছবি দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তো এটা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল কিভাবে?

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এখানে একটু ক্লিয়ার করে নিই, বিড়ালটি আমার মেয়ের। ও এখন অবশ্য সবারই হয়ে গেছে। আমরা সবাই ওকে আদর করি। বিষয়টি হচ্ছে এ রকম, শুধু বিড়াল নয়, আমি এবং আমার ভাই যখন ছোট ছিলাম, আমাদের একটি ছোট কুকুরও ছিল। ইভেন, তখন আমাদের বাসায় আম্মা হাঁস-মুরগি পালতেন, ছাগলও ছিল আমাদের বাসায়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি মানবিক দৃষ্টিকোণ অথবা আমরা যদি নেচার থেকেও বিষয়টি দেখি, ওরা না থাকলে কিন্তু আমাদের জন্য বেঁচে থাকা কষ্টকর। প্রকৃতি যদি না থাকে, প্রকৃতির ব্যালান্স যদি না থাকে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিম, কার্টুন কিভাবে দেখেন : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি মিম নিয়ে তারেক রহমানের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, একটা মিম তৈরি হয়েছে যে ওয়ার্ক ফ্রম হোম, তো এ ধরনের মিমগুলোকে আপনি কিভাবে দেখেন?

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি এনজয় করি বেশ।’

এগুলো তিনি সময় করে দেখেন বলে জানান। তারেক রহমান বলেন, ‘দেখুন, সোশ্যাল মিডিয়া এমন একটি বিষয়, আমি নিজেও আছি সোশ্যাল মিডিয়ায় কমবেশি। লক্ষ-কোটি মানুষ আছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এটি দিয়ে খুব দ্রুত একজনের সঙ্গে আরেকজনের যোগাযোগ করা যায়। তবে আমরা যদি সবাই এতটুকু সচেতন হই যে আমি আমার মত প্রকাশ করলাম, কিন্তু এই মত প্রকাশের ফলে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলো কি না? এই বিষয়টিকে বোধ হয় আমাদের বিবেচনায় রাখা উচিত, এটি এক নম্বর।’

মানুষের আস্থার প্রশ্নে যা বললেন : গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির পক্ষ থেকে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, সেগুলো বাস্তবায়ন হবে—এই প্রশ্নে মানুষকে কিভাবে আস্থায় নেবেন?

এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই প্রশ্নের উত্তরে যদি একটু এভাবে বলি, স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক দল হিসেবে তো আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে। আপনাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে আমি কিছু কিছু বলেছি।’ তিনি বলেন, ‘ব্যাপারটা হচ্ছে এ রকম যে দেখুন এই মুহূর্তে মাঠে আমরা যে রাজনৈতিক দলগুলো আছি, আমরা ধরে নিতে পারি সেই রাজনৈতিক দলগুলো ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে দেশ পরিচালনা করতে পারে। তার মধ্যে বিএনপিরই কিন্তু দেশ পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা আছে। কাজেই আমরা যদি দেখি যে ভালো কাজ বা কমিটমেন্ট আপনি যেটা বলেন, বিএনপি করবে কি না। আমরা তো করেছি।’

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রশ্নে বিএনপির অবস্থান : সংবাদমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, সংবাদমাধ্যমের ওপর আর দমন-পীড়ন হবে না, এ ব্যাপারে নিশ্চয়তার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি বলতে পারব, স্বৈরাচারের সময় বহু সাংবাদিককে বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন করে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন-ধমক দেওয়া হতো। বিএনপির সময় এগুলো করা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘কাজেই আপনাকে আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, বিএনপির অতীত সরকারের সময় যে রকম সাংবাদিকদের গুম করা হয়নি, সাংবাদিকদের নির্যাতনও করা হয়নি। সাংবাদিকদের দেশ ছেড়ে যেতে হয়নি, বাধ্য হতে হয়নি। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও হবে না।’

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com